মাদকের গডফাদারদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে: কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক

মাদক কারবার ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক। তিনি বলেছেন, মাদকের ব্যাপারে সরকারের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’।
মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদক চোরাচালান বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, মাদক বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা। গত দুই বছরে কোস্ট গার্ড প্রায় দেড় কোটি ইয়াবা জব্দ করেছে। এ সময় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।
রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, মাদকের কারবার সমূলে নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি শক্তিশালী আইন পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে, যাতে সংস্থাটি মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
মাদকের গডফাদারদের ধরার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে আমাদের নীতি জিরো টলারেন্স। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, মাদকের যত গডফাদার রয়েছে, তাদের ধরার জন্য। যারা মাদক কারবার ও চোরাচালানে জড়িত, তাদের ধরা হচ্ছে। তাদের মাধ্যমে গডফাদারদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে সব মন্ত্রণালয় ও দেশের মানুষের দায়িত্ব রয়েছে। মাদকের ব্যবহার সামাজিক ও পারিবারিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে না নিলে চাহিদা থাকায় সরবরাহ বন্ধ করা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছি। গত কয়েক বছরে যে পরিমাণ মাদক কারবারি ধরা হয়েছে, আমার মনে হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো এত ধরা পড়েনি। সুতরাং মাদকের ব্যাপারে আমাদের নীতি জিরো টলারেন্স। আমরা আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখব।’
কোস্ট গার্ড-নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সমঝোতা
এর আগে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা ও সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































