যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মহাসড়কে আছড়ে পড়ল বিমান, নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের লারেডো শহরে একটি ছোট বিমান মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়ে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িকভাবে মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানে মোট ছয়জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং বাকি পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার সময় মহাসড়কে চলাচলরত কোনো যানবাহনের যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
লারেডো পুলিশ বিভাগের তদন্তকারী হোসে বায়েজা জানান, স্থানীয় সময় রাত ১০টার কিছু পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মহাসড়কের উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, মহাসড়কে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। অবতরণের চেষ্টা করার সময় এটি একটি চলন্ত গাড়িকে ধাক্কা দেয় এবং পরে সড়কে আছড়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি সড়কের একটি ব্যারিয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে কাত হয়ে পড়ে আছে। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাইরা গারজা জানান, সহকর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পথে তিনি দুর্ঘটনাটি দেখতে পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন, বিমানের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি ককপিটের জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় আশপাশের লোকজনও উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর বিমানের দরজা খুলে গেলে কিশোর-কিশোরী বলে মনে হওয়া তিনজন দ্রুত বেরিয়ে আসে। তাদের পেছনে একজন পাইলট বলে ধারণা করা ব্যক্তিও বের হন। পরে আরেকজন ক্রু সদস্য অচেতন অবস্থায় থাকা একজনকে বিমান থেকে বের করার চেষ্টা করেন।
দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে গারজা বলেন, “দৃশ্যটি যেন সিনেমার মতো ছিল। আগুন দেখে আমি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম, কারণ বিমানটি যে কোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারত।”
এদিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে বিধ্বস্ত হলো, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
(ঢাকাটাইমস/১৭ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































