এমবাপ্পের রেকর্ড জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ফ্রান্সের, সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারালো

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে ফ্রান্স। কঠিন লড়াইয়ের পর সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে ফরাসিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে তিনি শুধু দলকে জয়ই এনে দেননি, গড়েছেন নতুন এক রেকর্ডও।
নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে প্রথমার্ধে বেশ চাপে ছিল ফ্রান্স। আক্রমণে ধারালো ফুটবল খেললেও একের পর এক সুযোগ নষ্ট করে সেনেগাল। অন্যদিকে ফরাসিরা প্রথম ৪৫ মিনিটে নিজেদের সেরা ছন্দে ছিল না। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
প্রথমার্ধে সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে সেনেগালের সামনে। ২৫তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসন গোলরক্ষকের মুখোমুখি হলেও তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। বিরতির ঠিক আগে ইসমাইলা সারও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে কোচ দিদিয়ের দেশমের দল। ৬৬তম মিনিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় সেনেগাল। দুই মিনিট পর ইসমাইলা সার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
৮০তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র দুই মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। এরপর যোগ করা সময়ে ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরানোর ইঙ্গিত দেন।
তবে শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
এই জোড়া গোলে জাতীয় দলের জার্সিতে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮-তে। ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অলিভিয়ে জিরুকে এবং এককভাবে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে গেছেন।
এছাড়া বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা এখন ১৪। বয়সের তুলনায় এই অর্জন তাঁকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলদাতার কাতারে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রেকর্ড গড়া এক রাতে এমবাপ্পের ঝলকেই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল ফ্রান্স। আর ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে সেনেগালের কাছে হারের সেই তিক্ত স্মৃতিও এবার মুছে ফেলতে সক্ষম হলো ফরাসিরা।
(ঢাকাটাইমস/১৭ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































