কোন কোন ডিটক্স পানীয় রোজ সকালে খালি পেটে খেলে লিভার সুস্থ থাকবে

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫
অ- অ+

শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ লিভার। এই অঙ্গটি হজমে সাহায্য করা থেকে শুরু করে দেহ থেকে টক্সিন বের করে দেয়া, এমনকি এনার্জি স্টোর করে রাখাসহ একাধিক জরুরি কাজ একা হাতে সামলায়। তাই এই অঙ্গকে সুস্থ সবল রাখাটা অত্যন্ত জরুরি।

আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, ওজনের কাঁটা স্বাভাবিকের উপরে থাকলে বিরাট সমস্যায় পড়ে লিভার। বিশেষ করে, ওবেসিটির কারণে ফ্যাটি লিভারের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই ওজনকে স্বাভাবিকের গণ্ডিতে বেঁধে রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

লিভারকে সুস্থ সবল রাখতে চাইলে ব্যালেন্স ডায়েট বা সুষম খাবার খেতে হবে। বিশেষ করে, মৌসুমি তাজা ফল, শাক এবং সবজি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়ার কাজে সিদ্ধহস্ত।

এছাড়া লিভার ভালো রাখতে চাইলে ডায়েট থেকে ফাস্ট ফুড, মিষ্টি এবং ভাজা খাবারকে বাদ দিয়ে দিতে হবে এখনই। এতেই হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আপনার ব্যস্ততা ভরা রুটিন থেকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় বের করতেই হবে। এই সময়টুকু সাঁতার, সাইকেল চালানো বা হাঁটার মতো কয়েকটি সহজ-সরল এক্সারসাইজ করলেই সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন।

খাদ্যাভাসে অনিয়ম এবং শরীরচর্চার অভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিভার। অতিরিক্ত তেলমশলা, ঘি, মাখন দেওয়া খাবার, অ্যালকোহল নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমতে শুরু করে। লিভারের ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলেই নানা সমস্যা দেখা দিতে থাকে। ফ্যাটি লিভার থেকে লিভার সিরোসিস ও পরবর্তীতে লিভার ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। এমসের একটি রিপোর্ট বলছে, ভারতে প্রতি তিন জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে এক জন ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। খাদ্যাভ্যাস এবং অনিয়মিত জীবনযাপনই এর জন্য দায়ী। লিভার ভাল রাখতে শুধু খাওয়াদাওয়ায় বদল আনলেই হবে না, নিয়ম করে লিভার ‘ডিটক্স’ করতে হবে। সে জন্য কিছু ডিটক্স পানীয় খেতে হবে।

ডাবের পানি ও চিয়া বীজের পানীয়

ডাবের পানিতে থাকা ইলেকট্রোলাইট গরমে ক্লান্তি দূর করে আর চিয়া বীজ পেট ঠান্ডা রাখে। চিয়া বীজ হজমে সহায়ক ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে। এই পানীয় তৈরি করতে এক গ্লাস ডাবের পানি ও এক চামচ ভেজানো চিয়া বীজ নিতে হবে। ডাবের পানি গ্লাসে ঢেলে তাতে চিয়া বীজ মিশিয়ে দিন। উপর থেকে পুদিনা পাতা ছড়িয়ে পান করুন।

কাঁচা হলুদ ও গোলমরিচের ডিটক্স

হলুদের অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ আছে। হলুদ প্রদাহনাশকও। সেই সঙ্গে গোলমরিচ মিশলে তার পুষ্টিগুণ আরও বাড়বে। পানীয়টি বানাতে আধ চামচ কাঁচাহলুদ বাটার সঙ্গে সামান্য গোলমরিচগুঁড়ো মেশাতে হবে। এ বার ঈষদুষ্ণ পানিতে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে দিয়ে পান করতে হবে। হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন যৌগ যে কোনও ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারবে। এই পানীয় লিভারও ভাল রাখবে।

পুদিনা ও শশার শরবত

শশার শরবত খুবই উপকারি। পুদিনা দেওয়া শশার রস হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীর টক্সিন-মুক্ত করতে এই জুসের কোনও বিকল্প নেই। শশাতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন ও বিভিন্ন রকম খনিজ লবণ। স্মুদির মতোই বানিয়ে নিতে পারেন শশার শরবত। প্রতি দিন খালি পেটে পান করলে লিভার ভাল থাকবে, ওজনও কমবে।

(ঢাকাটাইমস/৯ জুলাই/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি প্লাবিত: সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, জনজীবন বিপর্যস্ত
ঢাকাসহ দেশের ২০ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত
ইরানের একাধিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা, নিহত ৮ সেনা
সামাজিক মাধ্যমে পুলিশকে নিয়ে অপপ্রচার, আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা