মন্ত্রিত্ব হারানোর গুঞ্জনে সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের মুখে যে কথা

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের মন্ত্রিত্ব থাকছে কি না, তা নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, সরকার ও মন্ত্রিত্ব কোনোটিই স্থায়ী নয়। দায়িত্ব পাওয়া ও হারানো—দুটিকেই তিনি স্বাভাবিকভাবে দেখেন।
সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মন্ত্রিত্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিত্ব হারানোর গুঞ্জন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার কখনো স্থায়ী নয়, মন্ত্রিত্বও কখনো স্থায়ী নয়। অর্থাৎ এটা থাকে, যায়, আবার আসে, আবার যায়। আমি এটাকে উপভোগ করি। আমি আমার কাজের মধ্যেই তৃপ্তি খুঁজতে চাই।
তিনি বলেন, lকিছু মানুষ এসব লিখে মজা পায়। তাদের মজা পেতে দিন। আমি আমার এলাকার জনগণ এবং রাষ্ট্রের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি একজন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েছি, প্রথমবারই মন্ত্রিসভায় এসেছি। আমার দল ও দলের সরকারপ্রধান মনে করেছেন, আমি এখানে কাজ করার জন্য উপযুক্ত। সে বিবেচনায় তিনি আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, আমার জ্ঞানে ও যোগ্যতার সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। সেটি যদি রাষ্ট্রবান্ধব ও সরকারবান্ধব হয়, তাহলে ভালো। তবে আমি সবকিছু জানি বা পারি—এমনও নয়। যদি আমি সরকারের বা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হই, নিশ্চয় সেটা সরকার বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, একটি শ্রেণির মানুষ আছে, যাদের প্রচারের কোনো ভিত্তি নেই। তারা প্রচার করেছে যে আমি ক্যাবিনেটে থাকছি না। কিছু মানুষ এ ধরনের প্রচার করে কিংবা এমনটা ভেবে হয়তো মজা ও শান্তি পায়। তাদের জন্য এটি হয়তো সুসংবাদ বা এক ধরনের তৃপ্তির খোরাক হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আমি জানি। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমি এখানে বসে আছি। ধানমন্ডির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি। প্রায় ৩৪ বছর ধরে মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছি।
এই মন্ত্রী বলেন, আমার দল যেভাবে আমার ওপর আস্থা রেখেছে, সে জন্য আমি দলের প্রতি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে এলাকার জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সেই দায়িত্বের অমর্যাদা করছি না, ভবিষ্যতেও করব না।
মন্ত্রী বলেন, সরকার কখনো স্থায়ী নয়, মন্ত্রিত্বও কখনো স্থায়ী নয়। এটা থাকে, যায়, আবার আসে, আবার যায়। আমি এটাকে উপভোগ করি। আমি আমার কাজের মধ্যেই তৃপ্তি খুঁজতে চাই। আমি দুটি শপথ নিয়েছি—একটি সংসদ সদস্য হিসেবে, অন্যটি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে। সেই শপথ অনুযায়ীই দায়িত্ব পালন করছি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন










































