পরিবেশ দূষণ প্রভাব ফেলছে শিশুস্বাস্থ্যে

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ০৯:১৮
ফাইল ছবি

রাজধানীর ইস্কাটন এলাকায় ফ্ল্যাট বাড়িতে বসবাস করেন অনিমা রহমান। রাস্তার পাশেই তার ফ্ল্যাটটি। রাস্তার পাশে অবস্থান হওয়ায় দিনরাত প্রায় ২৪ ঘণ্টাই শব্দ দূষণের শিকার হতে হচ্ছে গৃহিনী অনিমা, তার পাঁচ বছর বয়সী শিশু তামান্নাসহ পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে। তাদের প্রায় সবাই বর্তমানে কানে কম শুনেন। পরিবারের ছোট্ট শিশুটির অবস্থাও তাদের মতোই অবস্থা। সেও এখন কানে কম শোনে। চিকিৎসক তাদের রাস্তার পাশে ফ্ল্যাট ছেড়ে নিরিবিলি এলাকায় বাসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যথায়, তাদের শিশু সন্তানটি ভবিষ্যৎতে কানে আর কিছুই শুনতে পারবে না এবং অতিরিক্ত শব্দ দূষণে তার ব্রেনেও সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন চিকিৎসক।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, শব্দ দূষণের ফলে ০-৫ বছর বয়সী শিশুদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। মাত্রাতিরিক্ত শব্দ বাচ্চাদের মেজাজ খিটমেটে করে তুলে। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। শ্রবণশক্তি নষ্ট করে দেয়। পরবর্তী সময়ে পড়াশোনায় অমনযোগী হয়ে পড়ে তারা। তাদের আচরণেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটায়। এভাবে শব্দ দূষণ চলতে থাকলে কোনো শব্দই ভবিষৎতে আর শুনতে পারবে না শিশুরা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা মাঠের অভাবে খেলাধূলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাংঘাতিকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এসব শিশুরা নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। প্রতিবন্ধী শিশু জন্মের পেছনে অনেকগুলো কারণের মধ্যে এই শব্দ দূষণও একটি কারণ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন চিকিৎসকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ১৫ বছরের নিচে প্রায় এক কোটি শিশু বিভিন্ন পরিবেশ দূষণ জনিত কারণ, দূষিত পানি, খাবার এবং দুর্ঘটনায় মারা যায়। ইউনিসেফ পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশের মোট শিশুর প্রায় ৪৫ শতাংশ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে। এদের সংখ্যা হবে প্রায় তিন কোটির অধিক। এসব শিশুর মাধ্যে আবার ৪১ শতাংশের কোনো আশ্রয় নেই। আবার ৬৪ শতাংশ স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃসেবা থেকে বঞ্চিত। ৫৭ শতাংশ দৈহিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। ১৬ ভাগ স্বাস্থ্য সেবা এবং ৩ ভাগ শিশু সুপেয় পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। আর এ সমস্ত বঞ্চনার সাথে যখন যোগ হয় পরিবেশ দূষণ, তখন হতদরিদ্র, সুবিধা-বঞ্চিত পরিবারের শিশুরা মারাত্মকভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আক্রান্ত হয়। পরিবেশ দূষণের কারণে বাংলাদেশের শিশুরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।

শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে শব্দ, বায়ূ পানি দূষণ। বহুমাত্রিক এসব দূষণে কানে কম শোনা, হৃদরোগ, উচ্চ-রক্তচাপ, স্থায়ী মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, অবসাদগ্রস্ততা, নিদ্রাহীনতাসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এর মধ্যে শব্দ ও বায়ু দূষণ শিশু স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। বাতাসের বিষাক্ত শিশা, কার্বন ডাই অক্সসাইড, কার্বন মন অক্সসাইড, সালফার বাতাসের ধূলি কনায় নিঃশ্বাসের সাথে শ্বাস প্রণালীতে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুস ক্যানসার, কিডনি ডেমেজ, লিভারে সমস্যা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সংক্রামক ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। নানা ধরনের জটিল রোগ আক্রান্ত হয়ে পড়ায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে আক্রান্ত শিশুরা।

চলতি বছরের ৬ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণের ফলে প্রতিবছর পাঁচ বছরের কমবয়সী প্রায় ১৭ লাখ শিশু অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। কারণ হিসেবে অনিরাপদ পানি, স্যানিটেশনের অভাব, দরিদ্র স্বাস্থ্যবিধির অনুশীলন ও পারিপার্শ্বিক দূষণের পাশাপাশি আহত হওয়াকেও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সূত্রে আরও জানা গেছে, এক থেকে পাঁচ মাস বয়সী শিশুর মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে অন্তত একজনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষভাবে দায়ী এই কারণগুলো।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু মৃত্যুর সাধারণ কারণ হিসেবে বিবেচনাকারী পূর্বেও ধারণাগুলো এখন অনেকটাই মানুষের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। এর ফলে ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া এবং নিউমোনিয়াসহ এ ধরনের মহামারি রোগ যা মশারি, পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে সহজভাবেই প্রতিরোধ করা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. মার্গারেট চ্যান এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুর মৃত্যুর সবচেয়ে অন্যতম কারণ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ। দূষিত বাতাস ও পানি শিশুদের কোমল অঙ্গ, ইমিউন সিস্টেম এবং শ্বাসনালীর পরিপক্বতায় বাধা সৃষ্টি করে শারীরিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এ ছাড়া শিশুর স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কমে যায়।

বিশ্বা স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ-এর একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০টি বড় বড় রোগের কারণ ১২ ধরনের পরিবেশ দূষণ। তার মধ্যে শব্দ দূষণ অন্যতম। একাধিক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের শব্দ দূষণের মাত্রা ৬০ থেকে শুরু করে কোনো কোনো স্থানে ১০৬ ডেসিবল পর্যন্ত রয়েছে। যা মানুষের শারীরিক-মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির অন্যতম কারণ বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সাধারণত শব্দকে মাপা হয় ডেসিবলে বা ডিবিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর মতে, বসতি এলাকা দিনের বেলা ৫৫ ডিবি, রাতে ৪৫ ডিবি হওয়া উচিত। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৬৫ ডিবি, রাতে ৫৫ ডিবি, শিল্পাঞ্চলে দিনে ৭৫ ডিবি, রাতে ৬৫ ডিবির মধ্যে শব্দ মাত্রা থাকা উচিত। আর হাসপাতালে সাইলেন্স জোন বা নীরব এলাকায় দিনে ৫০, রাতে ৪০ ডিবি শব্দ মাত্রা থাকা উচিত। অর্থাৎ এই মাত্রার মধ্যে থাকা আমাদের মধ্যে সহনীয়। এর বেশি হলেই দূষণ হিসেবে তা চিহ্নিত হয়।

রাজধানীতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) এক জরিপে দেখা যায়, নীরব এলাকার আওতাভুক্ত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতের আশেপাশে দিবাকালীন শব্দের মাত্রা ৭৫-৯৭ ডেসিবল যা মান মাত্রার চেয়ে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ক্ষমতাবলে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ প্রণয়ন করা হয়। বিধিমালার আওতায় নীরব, আবাসিক, মিশ্র, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা চিহ্নিত করে শব্দের মানমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। নীরব এলাকায় দিনে ৫০ ডেসিবল ও রাতে ৪০ ডেসিবল, আবাসিক এলাকায় দিনে ৫৫ রাতে ৪৫, মিশ্র এলাকায় দিনে ৬০, রাতে ৫০ এবং শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ রাতে ৭০ ডেসিবল।

বিধিমালার আইন অমান্য করলে প্রথমবার অপরাধের জন্য এক মাস কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য ছয় মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজাতে গাড়িচালকদের অনুরোধ জানায়। এতে বলা হয়, ‘উচ্চমাত্রার শব্দ শ্রবণশক্তি কমায় ও শরীরের রক্তচাপ বাড়ায়, হৃদযন্ত্রের কম্পন বাড়িয়ে দেয়, হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, মাংসপেশির খিঁচুনি সৃষ্টি করে এবং সর্বোপরি শিশুদের বেড়ে ওঠা বাধাগ্রস্ত করে। এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শহরের অধিকাংশ এলাকার রাস্তা ও অলিগলিতে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে। খোলা ট্রাক ও কনটেইনারে আবর্জনা পরিবহনের ফলে পথে পথে ছড়িয়ে পড়ছে আবর্জনা, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধসহ নানা রোগ ব্যধির জীবাণু। ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি)-এর কর্মকর্তা বলছেন, জাইকার সহায়তায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মহাপরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বেশ উন্নতি হবে। তবে এ মহাপরিকল্পনা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কতটুকু সুফল বয়ে আনবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ডিসিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ দায়িত্ব পালনে যত্নবান না হলে রাজধানীর আবর্জনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

সারা বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ রোগের বোঝার (গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিস) কারণ পরিবেশ সংক্রান্ত দূষণের ঝুঁকি থেকে বলে ধারণা করা হয়। আর এর মধ্যে ৪০ শতাংশ রোগের বোঝায়। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের নিচের শিশুরা। অথচ জনসংখ্যার অনুপাতে এরা হচ্ছে মাত্র ১০ শতাংশ। সারা বিশ্বেও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা যে পাঁচটি রোগকে শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছে জন্মপূর্ব অসুস্থতা, শ্বাসরোগ, ডায়রিয়া এবং শারীরিক আঘাত (ব্রিগস, ২০০৩)। পরিবেশ দূষণের কারণে জন্মপূর্ব অসুস্থতা সারাবিশ্বে শিশুমৃত্যুর এবং শিশুদের অসুস্থ হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, পরিবেশগত কারণ বিশেষত শিশু জন্মের পূর্বে ও পরে মায়ের দৈহিক স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি শিশুস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে। তাই, নবজাতককে জন্মপূর্ব এ সকল রোগ ও মৃত্যু ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন প্রসূতির জন্য শিশুর জন্ম পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টিকর খাবার এবং পরিবেশ সম্মত আবাসস্থল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এ আর হাওলাদার বলেন, গাড়ির রং-এ ব্যবহৃত ‘থিনার’ এবং পুডিং তৈরিতে ব্যবহৃত ‘হার্ভেনার’ কেমিক্যালগুলোর গ্যাস খুবই প্রকট। চোখ জ্বালাপোড়া করে, মাথা ধরে। সর্দিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এর বিষাক্ত গ্যাসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন। তিনি আরো বলেন, গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপে বিষাক্ত ক্যামিকেলের গ্যাস শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করে ফুসফুসের ক্যানসারসহ নানা রকম পেটের অসুখে আক্রান্ত হতে পারে। এই গ্যাস নিঃশ্বাসের সাথে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে আক্রান্ত ব্যক্তির খাবারে অরুচি দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ঠিকমত খেতে না পারার কারণে অপুষ্টির শিকার হতে পারেন আক্রান্ত ব্যক্তি। জনস্বার্থ বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে, তিনি ওয়ার্কশপ মালিকদের যত্রতত্র গাড়ি মেরামতের কাজ বন্ধের পরামর্শ দেন।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান এবং পরিবেশবিদ আবু নাসের খান বলেন, দূষণগুলো বর্তমানে সাংঘাতিকভাবে বেড়ে গেছে। পাড়া-মহল্লাও শব্দ দূষণ বেড়ে গেছে। শব্দ ও বায়ূ এ দু’টি দূষণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরো বলেন, পরিবেশের বিভিন্ন দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা কার্যক্রম হাতে নিলেও তা বাস্তবে কোনো কাজেই আসেনি। সরকার এখনই যদি পরিবেশের এ দূষণগুলো রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে দূষণগুলো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে তুলবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আবু নাসের খান। -বাসস

(ঢাকাটাইমস/১৯এপ্রিল/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত