স্থগিতাদেশ উঠায় ঢাকা উত্তরে মার্চে ভোটের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:২১ | প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:২৭

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপ নির্বাচন এবং দুই সিটিতে যোগ হওয়া ৩৬টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট আগামী মার্চে করার ইঙ্গিত দিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠান শেষে বুধবার বিকালে এমন ইঙ্গিত দেন সিইসি। এর আগে দুপুরে ঢাকা উত্তরে ভোটে স্থগিতাদেশ তুলে দেয় হাইকোর্ট।

আনিসুল হকের মৃত্যুতে ফাঁকা হওয়া ঢাকা উত্তরের মেয়র পদ পূরণে ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা ছিল ভোট। দুই প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীও বাছাই করে ফেলে। আওয়ামী লীগ নৌকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যবসায়ী নেতা আতিকুল ইসলামকে। আর বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বাছাই করে তাবিথ আউয়ালকে।

তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার আগে আগে ভোট স্থগিত হয়ে যায় ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও বেরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের রিট আবেদনে। এই দুই জনের ইউনিয়ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে যুক্ত হয়েছে।

১৭ ও ১৮ জানুয়ারি উচ্চ আদলত ছয় মাসের যে স্থগিতাদেশ দেয় তা বুধবার তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে ভোটে বাধা কেটেছে।  
সিইসি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কমিশনের সঙ্গে বসতে হবে। আমরা তাড়াতাড়ি এই নির্বাচন করে ফেলব।’

পরে অন্য এক প্রশ্নে বলেন, ‘মার্চে শুরু হওয়া উপজেলা পরিষদের মাঝেই এ নির্বাচন করা হবে। তবে এ বিষয়ে কমিশনে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

ঢাকা উত্তরে নির্বাচনের জন্য নতুন করে তফসিল হবে বলেও জানান সিইসি।
একই বছর ৯ জানুয়ারি ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ১৮ টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৮ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল।

ওই তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৬ জানুয়ারি ভাটারা থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান এবং বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
ভোটে আইনি বাধা দূর

এর আগে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্বাচনে স্থগিতাদেশ তুলে দেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী কাজী মাইনুল হাসান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে নির্বাচন হতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে বাদীপক্ষ চাইলে রুলটি আবার পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারবেন।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আফিফা বেগম বলেন, ‘আদালতে রিটকারীদের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছে। তবে বাদীপক্ষ চাইলে আবার রুল শুনানির সুযোগ আছে।’

ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের আইনজীবী আহসান হাবিব ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে জানান বলেন, তার মক্কেল রুল শুনানি করতে আগ্রহী নন। সে কারণে তারা আর আগাননি। রিটকারীর অনাগ্রহের কারণেই আদালত ডিসচার্জ অব ডিফেন্স (ডিডি) অর্ডার দিয়েছে। ফলে নির্বাচন পরিচালনার জন্য আর কোনো বাধা থাকছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত