এসএসসিতে ঝরে পড়ল সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:৩৯
ফাইল ছবি

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় ঝরে পড়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে দুই বছর আগে নিবন্ধন করেছিল ২২ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৩ শিক্ষার্থী। আর এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৭ লাখ ৪০ হাজার ৯৩৭ জন। সেই হিসাবে নিয়মিত ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৬ জন ঝরে পড়লো।

বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি পরীক্ষার সার্বিক দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃত হিসাবে পরীক্ষার্থী কমেনি। গত দুই বছর আগে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করে। তাদের মধ্যে অনেকে টেস্ট পরীক্ষায় বিভিন্ন বিষয়ে ফেল করায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাতে টেস্ট পরীক্ষায় আরও মনোযোগী হয় ও ভালোভাবে পড়ালেখা করে এ জন্য টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়া হয় না।’

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবার সারাদেশে মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তাদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ ১০২ জন, দাখিল ৩ লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।’ শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘কার্যকর পদক্ষেপের ফলে গতবার প্রশ্নফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। একই পদক্ষেপ এবারও নিচ্ছি, তাই প্রশ্নফাঁসের কোনো আশঙ্কা নেই। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে যে, তারা গুজবের পেছনে ছুটে যেন বিভ্রান্ত না হন।’

মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে নির্ধারিত আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট পূর্বে এসএমএস এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রশ্নপত্রের সেটকোড জানিয়ে দেয়া হবে। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যতীত অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি।

এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গতবার যে পদ্ধতি গৃহীত হয়েছিল তার ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। এবারও আমরা আশা করছি এ বছর কোন প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। কেউ যদি গুজব রটায়, সেই গুজবে যাতে কেউ কান না দেন। অভিভাবক এবং পরীক্ষার্থীর কেউ যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে প্রতারিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধু কেন্দ্র সচিব মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সেটা স্মার্টফোন নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক প্রমুখ।

আগামী শনিবার সারাদেশে অভিন্ন ও সৃজনশীল প্রশ্নে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

ঢাকাটাইমস/৩১জানুয়ারি/এমএম/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :