ক্ষতিকর রশ্মি সবচেয়ে বেশি শাওমিতে, কম স্যামসাংয়ে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:১৮

বহুল প্রচলিত স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে ক্ষতিকর রশ্মি সবচেয়ে বেশি বিকিরণ করে বিশ্বে জনপ্রিয় চীনা ব্রান্ড শাওমির স্মার্টফোন। আর সবচেয়ে কম রশ্মি বিকিরণ করে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনে। সম্প্রতি কোন কোম্পানির স্মার্টফোন কতটুকু ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে তার তালিকা প্রকাশ করেছে জার্মানভিত্তিক অনলাইন পরিসংখ্যান, বাজার গবেষণা এবং ব্যবসা পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটা। সেখানেই এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্ট্যাটিসটার প্রতিবেদনে ক্ষতিকর রশ্মির সবচেয়ে কম বিকিরণ ও বেশি বিকিরণের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে

দেখা গেছে, সবচেয়ে কম বিকিরণ করা স্মার্টফোন স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি নোট সিরিজের। এ সিরিজের স্মার্টফোন থেকে বিকিরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ১৭ ওয়াট। গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোনে গড় বিকিরণের পরিমাণ প্রতি কিলোগ্রামে শূন্য দশমিক ২৪ ওয়াট।  স্যামসাংয়ের পাশাপাশি মটোরলা, এলজি এবং জেডটিই ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন সবচেয়ে কম ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের তালিকায় আছে। এসব ফোনের গড় বিকিরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ২৮ ওয়াট।

তালিকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের তালিকায় আছে চীনা ব্র্যান্ড শাওমি। এই ব্র্যান্ডের ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের গড় পরিমাণ ১.৭৫ ওয়াট (এক দশমিক ৭৫ ওয়াট)। এ ছাড়া ওয়ান প্লাস, সনি এক্সপেরিয়া এবং এইচটিসি স্মার্টফোনের বিকিরণের গড় পরিমাণ এক দশমিক ৪৫ ওয়াট। অ্যাপলের আইফোনের গড় ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ এক দশমিক ৩২ ওয়াট।

এর আগে ফোর্বসের এক জরিপেও ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণে সবার ওপরে ছিল শাওমির স্মার্টফোন এবং কম বিকিরণের তালিকায় সবার ওপরে ছিলো স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন।

স্ট্যাটিসটা তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, স্মার্টফোন বর্তমানে মানুষের অন্যতম প্রয়োজনীয় জিনিস। ২৪ ঘন্টাই মানুষ এটিকে কোনো না কোনো ভাবে তার পাশে বা সঙ্গে রাখে। কোথাও বের হলে পকেটে, ঘুমোতে গেলে মাথার পাশে, টেবিলে বসলে হাতের পাশেই থাকে স্মার্টফোন। এর ফলে তারা নিজেদেরকে বিপদের মধ্যে ফেলছে। এজন্য স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ঢাকা টাইমস/১২ফেব্রুয়ারি/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :