প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:২৪
ফাইল ছবি

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালকসহ দেশের সব জেলা প্রশাসককে রিটে বিবাদী করা হয়ছে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন এ আইনজীবী।

২০১৬ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবনের ফলে একটি সুপারবাগ দিন দিন এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠছে যে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতিবছর এক কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে এটি। গত বছর ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও ডায়রিয়ায় মারা যাওয়া রোগীর সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি এই সংখ্যা।

সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন,  ‘রোগের চাহিদা ছাড়াও ফার্মেসিগুলোতে রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। শরীরে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার কারণে এক পর্যায়ে এসব রোগীর শরীরে আর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।’

‘সম্প্রতি অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ৪০০ জন লোক মারা গেছেন। জাতীয় একটি দৈনিকে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্র্রকাশিত হয় । এ কারণে রিট করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু অনেকেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই।’

‘অন্যদিকে মানুষের রোগ নিরাময়ের জন্য যে অ্যান্টিবায়োটিক বানানো হয়েছিল, অতিরিক্ত লাভের আশায় সেগুলো এখন পশুপাখিদের দ্রুত বর্ধনশীল করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, চট্টগ্রামে করা এক গবেষণায় উঠে এসেছে, শহরের অর্ধেকেরও বেশি পোলট্রি মুরগির শরীরে এসব অ্যান্টিবায়োটিক ঢোকানো হচ্ছে। এই পোলট্রি মুরগি খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :