ওসি মোয়াজ্জেমকে ফেনী পুলিশের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৭ জুন ২০১৯, ১১:১৪ | প্রকাশিত : ১৭ জুন ২০১৯, ১১:১২

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সোনাগাজী পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার সকালে তাকে সোনাগাজী পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে শাহবাগ থানা পুলিশ। দুপুরের আগেই তাকে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে বলে বলে জানা গেছে।

নুসরাতের জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোয়াজ্জেমকে গতকাল রবিবার শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

ওসি মোয়াজ্জেমকে হস্তান্তরের বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, সোনাগাজী থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় সেই থানার পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল সকালে ঢাকায় আসেন। এরপর সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ফেনী পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

জানা গেছে, ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এখনও শাহবাগ থানায় আছেন। দুপুরে তাকে ঢাকার সাইবার ক্রাইম আদালতে নেয়া হবে।

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত গত মার্চ মাসে তার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলে ওসি মোয়াজ্জেম তাকে থানায় ডেকে জবানবন্দি নিয়েছিলেন। সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন মোয়াজ্জেম।

এর কয়েকদিন পর ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে গিয়ে নুসরাত জাহানকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে গত ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যান।

নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়ার বিষয়টি সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। এর মধ্যে ওসিকে দেওয়া নুসরাতের জবানবন্দির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি হয়। এরপর নিরুদ্দেশ হন ওসি মোয়াজ্জেম। তাকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। তিনি যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন সেজন্য সব বন্দরে সতর্কতা জারি করা হয়। অবশেষে গতকাল রাজধানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকাটাইমস/১৭জুন/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :