স্বাস্থ্যের পদত্যাগকারী ডিজি আবুল কালামকে দুদকে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট ২০২০, ১৮:৫২

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদত্যাগী মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদসহ পাঁচজনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পৃথক নোটিসে চলতি মাসের ১২ ও ১৩ আগস্ট তাদেরকে কমিশনে যেতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে ঢাকাটাইমসকে জানান দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য।

স্বাস্থ অধিদপ্তরের সদ্য সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদ ছাড়াও দুদক যাদের তলব করেছে তারা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. মো. আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক মো. ইউনুস আলী, ডা. মো. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আবুল কালাম আজাদকে ১২ আগস্ট জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হতে বলা হয়েছে। দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে এ অনুসন্ধান চলছে। তার স্বাক্ষরেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।

আর করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার বিষয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১৩ অগাস্ট আবারও কমিশনের কার্যালয়ে যেতে দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যার স্বাক্ষরে আরেকটি নোটিস পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিকে।

বাকি চার কর্মকর্তাকে ১২ আগস্ট দুদকে তলব করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে গত ২১ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র দেন ডা. আজাদ।

শুরুটা হয়েছিল চিকিৎসকদের নিম্ন মানের মাস্ক সরবরাহ দিয়ে। এরপর রিজেন্ট হাসপাতাল, জেকেজি হেলথ কেয়ারের জালিয়াতি ফাঁস হওয়ার পর তোপের মুখে পড়েন তিনি।

কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় গত ২১ মার্চ রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তি হয়। ওই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তখনকার মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন সচিব উপস্থিত ছিলেন।

কিন্তু করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া, সরকারের কাছে বিল দেওয়ার পর আবার রোগীর কাছ থেকেও অর্থ নেওয়াসহ নানা অনিয়মের খবর পেয়ে র‌্যাব গত ৭ ও ৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখা বন্ধ করে দেয়।

তখন জানা যায়, হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ ছিল না জেনেও রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করার পর রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হওয়া চুক্তির নথিপত্র ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে দুদক।

(ঢাকাটাইমস/০৬ আগস্ট/এসআর/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :