কক্সবাজারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াঙ্গা কাটা ঘোনার পাড়ার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযানে ডাকাত দলের এক নারী সহযোগীকে আটক করা হলেও কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা ঘোনার পাড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ি আস্তানায় এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে আটক নারী হলেন আয়েশা বেগম রিয়া (২৫)। তিনি ওই এলাকার নুরুল আহম্মদের মেয়ে বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ অভিযানিক দল কুখ্যাত সন্ত্রাসী নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছার ও রহিমসহ তাদের সহযোগীদের আটকের উদ্দেশ্যে ভোররাতে অভিযান শুরু করে। অভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গভীর পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে সেনাবাহিনী রামু থানা পুলিশ ও স্থানীয় গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসীদের আশ্রিত বাড়ি ও গোপন আস্তানায় তল্লাশি চালায়। এ সময় ২টি বিদেশি পিস্তল, বিদেশি পিস্তলের আদলে ১টি ডামি পিস্তল, ২টি একনালা বন্দুক, ৪৯টি পিস্তলের বুলেট, ৬টি রাইফেলের বুলেট, ৩টি কার্তুজ, ১টি কার্টার, ২টি ধারালো অস্ত্র (ক্রিচ), ২টি বাটন ফোন এবং সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া ১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ আয়েশা বেগম রিয়াকে আটক করা হয়।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক রিয়া স্বীকার করেছেন যে উদ্ধারকৃত অস্ত্রশস্ত্র কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছার এবং ডাকাত রহিমের। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই ডাকাত দলের বিভিন্ন অপকর্মে সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
ওসি আরও জানান, পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে রামু থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান।
উল্লেখ্য, নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছারের বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যা মামলাসহ প্রায় ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
(ঢাকা টাইমস/০৭জানুয়ারি/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































