দেশের যেসব গ্রামের মানুষ শুক্রবার ঈদ উদ্যাপন করবে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার শতাধিক গ্রামে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
দরবার সূত্রে জানা গেছে, তাদের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে একই নিয়মে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং অন্যান্য চন্দ্র মাস সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসরণ করা হচ্ছে।
প্রধান ঈদের জামাত মির্জাখীল দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান, যিনি পূর্বসূরি হজরত শাহ জাহাঙ্গীর শেখুল আরেফীন (কঃ), ফখরুল আরেফীন (কঃ), শামসুল আরেফীন (কঃ) ও তাজুল আরেফীন (কঃ)-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছেন।
সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, আনোয়ারা, লোহাগাড়া, সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট, বরিশালসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের গ্রামেও একই দিনে ঈদ উদ্যাপন করা হবে। পার্বত্য জেলা বান্দরবান এবং কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় দরবারের অনুসারীরা তাদের উৎসব পালন করবেন।
মির্জাখীল দরবার শরীফের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান জানান, হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে তারা নিকটবর্তী সময়ের ব্যবধান ও পূর্ববর্তী দেশগুলোর চন্দ্রদর্শনের তথ্য বিবেচনা করেন। এছাড়া বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশের ভিত্তিতে চাঁদের অবস্থান এবং মক্কা-মদিনাসহ আরব বিশ্বে চাঁদ দেখার সংবাদ নিশ্চিত করে তারা ঈদ উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































