রয়টার্সের খবর
কমে যেতে পারে সোনার দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রত্যাশার চেয়েও কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান। প্রতিষ্ঠানটির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ালে সোনার বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে।
জেপি মরগানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা সোনার মতো সুদবিহীন সম্পদের পরিবর্তে বেশি মুনাফার সুযোগ থাকা খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হন। এতে সোনার চাহিদা কমে দাম নিম্নমুখী হতে পারে।
নতুন পূর্বাভাসে ব্যাংকটি জানিয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) প্রতি আউন্স সোনার দাম গড়ে ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর) ৪ হাজার ৫০০ ডলারে থাকতে পারে।
এর আগে গত ৯ জুন প্রকাশিত এক পূর্বাভাসে বছরের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিল জেপি মরগান। তবে নতুন মূল্যায়নে সেই পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ২১ ডলারে ওঠে। সপ্তাহজুড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে।
স্বল্পমেয়াদে দাম কমার ঝুঁকি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার নিয়ে আশাবাদী জেপি মরগান। ব্যাংকটির ধারণা, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনা এবং বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ২০২৭ সালের মধ্যে সোনার বাজার আবার শক্তিশালী হতে পারে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতু নিয়েও পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মতে, আগামী সময়ে প্রতি আউন্স রুপার গড় দাম ৬০ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্ল্যাটিনামের দাম ১ হাজার ৮০০ ডলার এবং ২০২৭ সালে ১ হাজার ৯৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। প্যালাডিয়ামের দাম ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৫০ ডলারে উঠতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































