অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন কারখানাকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন ও শিল্প লবণ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি খাদ্যপ্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন আলীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মেসার্স ভাই ভাই ফুড ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স বাবুল চিড়া মুড়ি ইন্ডাস্ট্রি এবং মেসার্স আমানত ফুড ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ৩ লাখ টাকা করে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, ভাই ভাই ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর, স্যাঁতসেঁতে ও মাকড়সার জালে ভরা পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন করা হচ্ছে। এছাড়া নোংরা ড্রামে পানির সঙ্গে শিল্প লবণ মিশিয়ে তা উৎপাদনে ব্যবহার করা হচ্ছিল। কারখানার টয়লেটের পাশেও শিল্প লবণ সংরক্ষণ করতে দেখা যায়।
বাবুল চিড়া মুড়ি ইন্ডাস্ট্রিতেও অপরিষ্কার ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে মুড়ি উৎপাদনের পাশাপাশি নোংরা ড্রামে শিল্প লবণ পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছিল। জেনারেটরের পাশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিল্প লবণ সংরক্ষণেরও প্রমাণ পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, আমানত ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে নালার পাশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন, নোংরা ড্রামে শিল্প লবণ ব্যবহার এবং খোলা মুড়ি সংরক্ষণের পাশেই কবুতর পালনের বিষয়টি ধরা পড়ে।
এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসিফুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































