ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের ওপর হামলা

ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) জয়পুরের বাগরু এলাকার একটি সরকারি স্কুলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে যাওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, সিজেপির সহপ্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে একটি দল স্কুল পরিদর্শনে বাগরু গ্রামে যাচ্ছিল। সে সময় তাদের বহনকারী গাড়িটি ঘিরে ধরে দুর্বৃত্তরা। তারা দলীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ‘শহুরে নকশাল’, ‘জাতীয়তাবিরোধী’ ও ‘পাকিস্তানি’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে সিজেপির কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়, যার ফলে স্কুলে না গিয়েই সেখান থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হন তারা।
এই হামলার পেছনে ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি জড়িত বলে অভিযোগ করেছে সিজেপি। দলটির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা জানান, স্থানীয় গ্রামবাসীদের অনুরোধেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে একটি গোয়ালঘরের ভেতর ওই সরকারি স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাংবাদিকদের রাঙ্কা বলেন, “স্কুল পরিদর্শনের বিষয়ে আমরা আগেই পুলিশকে অবহিত করেছিলাম। কিন্তু বিজেপির সন্ত্রাসী বাহিনী সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নিচ্ছিল। আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের মারধর করা হয়েছে, গাড়ি ও মোবাইল ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকি এক নারী কর্মীকেও হেনস্তা করা হয়। এই হামলায় আমাদের এক সদস্যের হাত ভেঙে গেছে এবং আমার শার্ট ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপির স্থানীয় এক কাউন্সিলর বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে এনে এই হামলা চালিয়েছেন এবং হামলাকারীদের মধ্যে অর্থ বিতরণ করেছেন। তবে এর জন্য তিনি স্থানীয় গ্রামবাসীদের দায়ী না করার অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে, স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক (এমএলএ) স্বামী বালমুকুন্দাচার্য সিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেন, এই সফরের বিরুদ্ধে মূলত স্থানীয় গ্রামবাসীই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। সিজেপির নেতারা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছিলেন বলেই গ্রামবাসী তাদের প্রতিহত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































