ডেনমার্ক আ.লীগের শোক দিবস পালন

ইউরোপ ব্যুরো, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৪৫

জাতির পিতা ও বাংলাদেশের স্থপতি  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে ডেনমার্ক আ’লীগ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোপেনহেগেনের একটি হলে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঞ্চারনায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বাবু সুভাষ ঘোষ, রিয়াজুল হাসনাত রুবেল, সহসভাপতি খোকন মজুমদার, মোহাম্মদ ইসমাইল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, বেলাল হোসেন রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শামীম, শামীম খালাসী, মোহাম্মদ সোহাগ এবং সদস্য ওয়ালী হোসাইন রিপন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মিলাদ পরিচলনা করেন সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম এবং জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ বঙ্গমাতা, জাতীয় চারনেতা, ভাষা শহীদ ও ১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইব্রাহিম তুহীন খাঁন, যুব ও স্পোর্ট সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পলাশ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শিপন মোহাম্মদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান, অভিবাসন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ, কার্ষকরী কমিটির সদস্য অনু মিয়া, তাজবির আহমেদ, রাজু আহম্মেদ, আশরাফ ফরাদ, নাজিম উদ্দিন, রাসেল মাতবার, এরশাদ মিয়া, নিজাম উদ্দিন বলী, বাবু, সোহেল খাঁন, সফিকুর রহমান, আব্দুর রহমান, রনি আলম, আবু সোয়েব, রাসেল, সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, সাফায়েত অন্তর, সামছু আলম, রনি ওমর, ও শামীম খাঁন।

এছাড়াও ছিলেন- ডেনমার্ক আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ সস্পাদক রনি আলমসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন,পঁচাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশ ঘোর অমাবশ্যায় ডুবে থাকা এক জনপদের নাম। একটা সময় পর্যন্ত অবস্থা এমন ছিল যে, কোন আশা নেই, ভালবাসা নেই, আছে শুধু লোমহর্ষক হত্যা আর ষড়যন্ত্রের জাল বুননের নানা কাহিনী। প্রতি মুহূর্তেই দৃশ্যপটের পবির্তন ঘটেছে আর মৃত্যু হয়েছে আমাদের স্বাধীন বাংলার মানুষের স্বপ্নগুলোর। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বপ্নগুলোকে হায়েনার দল ক্ষতবিক্ষত করে যেন প্রতিশোধের উন্মত্ততায় মেতে উঠেছিল। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সংবিধানকেও কাটাছেঁড়া করে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শগুলোকে বিদায় করতে চেয়েছিল ক্ষমতা দখলকারী অপশক্তি খুনি জিয়া। নতুন প্রজন্মের তরুণদের কাছে সে সময়গুলো যেন অনেকটা অস্পষ্ট-ধোঁয়াশা।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার  মাধ্যমে তারা শুধু একজন ব্যক্তিকেই হত্যা করেনি তারা পুরা জাতিকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের জানা ছিল না একজন ব্যক্তিকে হত্যার মধ্যমে তাঁর চেতনাকে হত্যা করা যায় না।

বক্তারা শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

(ঢাকাটাইমস/১৬আগস্ট/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

প্রবাসের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :