পদোন্নতি চান জনতা ব্যাংকের ১১৬০ কর্মকর্তা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৩৪

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকে পাঁচ বছর বা তদূর্ধ্ব সময় একই পদে কর্মরত কর্মকর্তা (ক্যাশ) ও কর্মকর্তারা সুপারনিউমেরারি ভিত্তিতে ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি চায়। এমন দাবি জানিয়ে সম্প্রতি ব্যাংকের চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন ২০১১ ও ২০১২ সালে যোগদান করা কর্মকর্তারা।

আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ ও ২০১২ সালে মোট ২৪৩৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা (ক্যাশ) পদে যোগদান করেন এই ব্যাংকে। যোগদানের পর থেকে শাখাগুলো কম্পিউটারইজড করাসহ অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ব্যাচ-২০১১ অগ্রণী ভ’মিকা পালন করে আসছে। ফলে ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশের সব সরকারি ব্যাংকের মধ্যে মুনাফা অর্জনে জনতা ব্যাংক শীর্ষে অবস্থান করছে।

এতে বলা হয়, ওই ২৪৩৭ জনের মধ্যে বর্তমানে ১৯১৮ জন কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে ৭৫৮ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু এখনো ১১৬০ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি বঞ্চিত। একই পদে দীর্ঘদিন থাকায় তারা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং কর্মক্ষেত্রে কর্মস্পৃহা হারিয়ে ফেলেছেন, যা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতি ও লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সোনালী ব্যাংকে কর্মরত প্রায় ২২০০ কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা ক্যাশ থেকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির কথা উল্লেখ করে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আবেদনপত্রে বলা হয়,  ‘যেহেতু ২০১১ সালে যোগদান করা সব কর্মকর্তা সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত হওয়ায় ইতোমধ্যে ২২ হাজার টাকা স্কেল ভোগ করছেন, সেহেতু সবাইকে পদোন্নতি প্রদান করলে ব্যাংক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বিগত বছরের ন্যায় পদোন্নতি ধারা অব্যাহত থ্কালে একই সঙ্গে যোগদানকৃত সকল কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা (ক্যাশ) পদে পদোন্নতি আরো দীর্ঘ সময় লাগবে। এক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের মত সুপারনিউমেরারি ভিত্তিতে আমাদের পদোন্নতি প্রদান করলে হতাশা দূরসহ কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করা  সম্ভব হবে। ফলে ব্যাংকের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভ’মিকা পালন করবে।’

(ঢাকাটাইমস/২ডিসেম্বর/মোআ)

 

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :