জরিমানা ছাড়া দেয়া যাবে মার্চ-এপ্রিলের ভ্যাট রিটার্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৬ মে ২০২০, ২০:৪৩ | প্রকাশিত : ২৬ মে ২০২০, ২০:২৩

লকডাউনের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভ্যাট রিটার্ন (দাখিলপত্র) সময়মতো জমা দিতে পারেনি সেসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও সুদ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সুযোগ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৯ জুনের মধ্যে এসব রিটার্ন দাখিল করতে পারবে।

মঙ্গলবার এনবিআর সদস্য (মূসক নীতি) মো. মাসুদ সাদিক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত ‘বিশেষ আদেশ’ জারি করা হয়েছে।

ভ্যাট আইন অনুযায়ী, পূর্বে প্রতিমাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হয়। না হয় ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। দিতে হয় প্রতিদিনের জন্য ২ শতাংশ হারে সুদ।

‘করোনাভাইরাস প্রার্দুভাব প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে জরিমানা ও সুদ আরোপ ব্যতীত মার্চ ও এপ্রিল কর মেয়াদের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বর্ধিতকরণ’-শিরোনামে এ বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব প্রতিরোধে সরকার আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মার্চ ও এপ্রিল কর মেয়াদের রিটার্ন যথাসময়ে দাখিল করতে পারেননি।’ বলা হয়, ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (১) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ৪৭ এর উপ বিধি (১) অনুযায়ী প্রত্যেক নিবন্ধিত ব্যক্তিকে প্রত্যেক কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে মূসক দাখিলপত্র প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৮৫ এর উপধারা (১) অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মূসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ না করার ব্যর্থতা বা অনিয়মের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। মূসক আইনের ধারা ১২৭ অনুযায়ী কোন করদাতা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে কমিশনারের নিকট প্রদেয় কর পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী দিন হতে পরিশোধের দিন পর্যন্ত প্রদেয় করের উপর মাসিক ২ শতাংশ সরল হারে সুদ পরিশোধের বিধান রয়েছে।’

আদেশে বলা হয়, ‘অধ্যাদেশ ও জারি করা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (১ক) ও (১খ) ও প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বৈশ্বিক এ আপদকালীন সময়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র মার্চ ও এপ্রিল কর মেয়াদের দাখিলপত্র যথাসময়ে পেশ করেনি; সে সকল প্রতিষ্ঠানের দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা ৯ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করলো। এ সময়ের মধ্যে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে জরিমানা ও সুদ প্রদানের বাধ্যবাধকতা হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।‘

(ঢাকাটাইমস/২৬মে/জেআর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :