করোনায়ও থেমে নেই পোল্ট্রি ব্যবসায়ী রাইসুল ইসলাম

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২২ জুন ২০২০, ১২:৫৩ | প্রকাশিত : ২২ জুন ২০২০, ১২:৩০

শিক্ষা, সততা, ধৈর্য্য ও পরিশ্রমে স্বাবলম্বী হওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত যুবক রাইসুল ইসলাম। করোনায়ও থেমে নেই মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী গ্রামের মজিদ মাতাব্বরের ছেলে ও পোল্ট্রি ব্যবসায়ী যুবক রাইসুল। ২০০৯ সালে প্রবাস ফেরত ওই যুবক চার লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে নিজ বাড়ির পাশে একটি টিনসেট ঘরে ১০০০ সেট মুরগি পালন শুরু করেন। সেই থেকে পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। তাকে দেখে আশার অলো দেখছেন খামারিরা।

রাইসুল জানান, ২০০২ সালে এইচএসসি পাশ করার পর সরকারি চাকরির আশা না করে প্রবাসে চলে যান তিনি। এরপর ২০৯ সালে দেশে ফিরে বাড়ির এক খন্ড জমিতে ১০০০ সেট মুরগি নিয়ে শুরু করেন পোল্ট্রি খামার। পরবর্তিতে ২০১৪ সালে আরও এক সেট যোগ করেন। বর্তমানে রাফা পোল্ট্রি ফার্ম নামে দুটি মুরগি খামার আছে তার। দুটি সেটে প্রায় ৩০০০ ব্রয়লার মুরগি পালন করছেন তিনি। বিগত কয়েক বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করে রাইসুল এখন স্বাবলম্বী ও এলাকায় একজন সফল যুবক।

রাইসুল বলেন, ‘কোনো এনজিও সংস্থা ও সরকারি ঋণ সহায়তা পেলে দীর্ঘ প্রজেক্ট নিয়ে আরও ব্যাপক আকারে খামার গড়ে তুলতে পারব।’

তবে তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, ‘এ শিল্পে ব্যবহৃত পোল্ট্রি ফিডসহ অন্যান্য জরুরি ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট সব কিছুর দাম বিগত বছরগুলোর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বেড়েছে। প্রতিদিন আমার খামার দুটিতে মুরগির খাদ্য বাবদ আনুমানিক ১২০০০ টাকা খরচ হয়। একটি খামার পরিচালনায় যেই পরিমাণ ব্যয় হয় তার শতকরা ৭০ ভাগ ব্যয় হয় খাবারের পেছনে। এই অবস্থায় খাবারের দাম বেড়ে গেলে একই হারে মুরগি উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই হারে মুরগি দাম না বাড়লে লাভের পরিবর্তে লোকসান গুণতে হয়।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, ‘চাকরির পেছনে না ঘুরে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে যে সাবলম্বী হওয়া যায় তা প্রমাণ করেছেন সফল পোল্ট্রি ব্যবসায়ী রাইসুল ইসলাম। তার সফলতা দেখে স্থানীয় অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক মুরগি খামার করে নিজেদের সাবলস্বী করার চেষ্টা করছেন।’

ঢাকাটাইমস/২২জুন/পিএল

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :