অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১১ আগস্ট ২০২০, ২১:৪৯

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা অক্ষুন্ন রাখার জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি আরও বলেছেন, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদ মবিলাইজেশন এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার প্রতি আমাদের যত্নশীল হতে হবে।

অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ,অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ । অর্থ মন্ত্রনালয়ের এ চার বিভাগের সচিবগনের সাথে অনলাইনে মঙ্গলবার বিকালে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠকের শুরুতে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এ চারটি বিভাগ আমরা একটি টিম হিসাবে কাজ করছি। দেশের সামষ্ঠিক অর্থনীতির গতিধারা অক্ষুন্ন রাখার জন্য আমাদের নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে। এখন থেকে একেক সময়ে একেক বিভাগের দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কাজ করার গতি যাতে ঠিক থাকে তাই মাঝে মাঝে আমরা আমাদের পারফরমেন্স রিভিউ করবো এবং কিভাবে আমাদের মন্ত্রণালয়কে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সে বিষয়ে খোলামেলা আলাপ আলোচনা করবো। কর্মক্ষেত্রে যদি কোন জটিলতা তৈরি হয় আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করা হবে।

প্রতি তিন মাস পরপর বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে বৈঠক অনুষ্টিত হতে পারেনি জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও সকল প্রকার জটিলতা নির্ধারণে আমরা প্রতি তিন মাস পর পর একটি সমন্বয় বৈঠক করে থাকি।কোভিড-১৯ এর কারণে গত কয়েকমাস আমরা বৈঠক করতে পারিনি। এখন থেকে নিয়মিত প্রতি তিন মাস পর পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারির মধ্যেও ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ অর্জিত হওয়ায় এবং মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে তিনি দেশবাসী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন অংশগ্রহন করেন। সচিবরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করে চার বিভাগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব জানান, অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাই মাসের রাজস্ব আদায়ের হিসাব এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে তুলনামূলকভাবে রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। কিন্তু এখন যেহেতু আমদানি রপ্তানি বাড়ছে তাই রাজস্বও বাড়তে শুরু করেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা সংশোধিত আকারে প্রণয়ণের অগ্রগতি অবহিত করেন। অর্থসচিব বাজেট ঘাটতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার নিমিত্ত জাতীয় রাজস্ববোর্ড এর সহযোগিতা কামনা করেন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগরে সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন জানান, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগরি কাছ থেকে প্রতিশ্রুত বাজেট সাপোর্ট হতে এ গত অর্থবছরের শেষ পযন্ত ১.৭৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ডিসবার্সমন্টে হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/১১আগস্ট/জেআর/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :