টাকা আত্মসাৎ: পাউবোর প্রধান প্রকৌশলীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ অক্টোবর ২০২০, ২০:৩৮

মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন প্রকল্পের ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী নাজমুল আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

বুধবার দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান বাদী হয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় হবিগঞ্জে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদক মুখপাত্র প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য ঢাকাটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী (যান্ত্রিক সরঞ্জাম) চৌধুরী নাজমুল আলম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় যান্ত্রিক সার্কেল তেজগাঁও এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু তালেব, ঢাকা যান্ত্রিক (পাম্প হাউস) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান পাবনা পওর সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম শহিদুল ইসলাম, খুলনার লবনচুরার ড্রেজার অপারেশন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম গোলাম সরওয়ার, পাউবো (যান্ত্রিক) নকশা সার্কেল-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্বাছ আলী, পাউবো ডিজাইন সার্কেল-১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল বাছিত, পাউবো চাঁদপুর যান্ত্রিক উপ-বিভাগ (বিদ্যুৎ) নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. রুহুল আমিন।

সরকারি আট কর্মকর্তা ছাড়াও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিগমা ইঞ্জিনিয়ারস লিমিডের তিনজনের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়। তারা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, চেয়ারম্যান সৈয়দ আরশেদ রেজা, জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুস সালাম।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, ‘আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে একে অপরের সহায়তায় অপরাধমূলক বিশ^াসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক অবৈধভাবে নিজেরা লাভবান হয়ে ‘মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন” প্রকল্পের জন্য প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে পাম্প ক্রয় করে সরকারের ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ১৭ হাজার ১৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ২০১৯ সালে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করে আমলে নেয় দুদক। সংস্থাটির অনুসনন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রকল্পের আওতায় কেনা ৮টি পাম্পের প্রকৃত দাম ২০ কোটি ৪১ লাখ ৭ হাজার ৬০৩ টাকা। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করে ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৯ টাকা। অনুসন্ধানে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারায় অপরাধ করেছেন, যে কারণে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।’

ঢাকাটাইমস/২১অক্টোবর/এসআর/ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় এর সর্বশেষ

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :