‘নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে জিয়ার খেতাব কেড়ে নিতে চায় সরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:৪৬ | প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:১১

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং তাদের কুকীর্তি আর আল জাজিরার রিপোর্ট অন্যদিকে প্রবাহিত করতে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব কেড়ে নিতে চায়। কিন্তু খেতাব কেড়ে নিয়ে জিয়াকে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলতে পারবেন না।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধনের আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজকে দেশে অনেক তন্ত্র আছে। আওয়ামী লীগের মিথ্যা তন্ত্র আছে। কিন্তু গণতন্ত্র নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে আমাদের এই আন্দোলন। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে কারাগারে রাখার পর এখন গৃহবন্দি করে রেখেছে।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী বলেছেন- আল জাজিরার রিপোর্টের পেছনে বিএনপি-জামায়াতের হাত রয়েছে। আসলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে বলবে যে বাংলাদেশে করোনার পেছনেও বিএনপি-জামায়াতের হাত রয়েছে। এরা বিকৃত রুচিতে ভুগছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার কুকীর্তি করে, গণতন্ত্র হত্যা করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হত্যা করে মাফিয়া তন্ত্র কায়েম করেছে। এখন নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নেয়ার চক্রান্ত করছে। আমি বলতে চাই- তাকে অপমান করে কোনো লাভ হবে না।

রিজভী বলেন, আগামীতে জনগণ তাদের বিচার করবে যারা ক্যাসিনো করে, ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। জনগণ এখন সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সরকার মূলত আল জাজিরার রিপোর্ট অন্যদিকে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে জিয়ার খেতাব বাতিলের চক্রান্ত ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে ওবায়দুল কাদের নোয়াখালীতে দুটি গ্রুপ তৈরি করে রেখেছেন। সেখানে তার ভাই মির্জা কাদেরের আন্দোলনে নিরীহ সাংবাদিক মুজাক্কিরকে প্রাণ দিতে হলো। এই হত্যাকাণ্ডের দায় প্রধানমন্ত্রীর। এই হত্যার দায় ওবায়দুল কাদেরের। তবুও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। ওদের সমস্ত লজ্জা শরম ধুয়ে মুছে নিচে ফেলে দিয়েছে।

রিজভী বলেন, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের খেতাব কেড়ে নিলে দেশের সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়।

ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আবদুস সালামের পরিচালনায় আরো অংশগ্রহণ করেন ড্যাবের সহসভাপতি ডা. সিরাজুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. মেহেদী হাসান, যুগ্ম মহাসচিব ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. দোলন, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, শহিদুল আলম, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. মিজানুর রহমান, বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, ডা. নিলোফা ইয়াসমিন, ডা. ফারুক আহমেদ, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গোলাম মাওলা শাহিনসহ শতাধিক নেতাকর্মী।

ঢাকাটাইমস/২৩ফেব্রুয়ারি/বিইউ/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :