বিধ্বস্ত শ্রীলংকা, এশিয়া কাপ ঢাকায় চায় বিসিবি

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৩ মে ২০২২, ১৪:০২ | প্রকাশিত : ১৩ মে ২০২২, ১৩:০৫

আগামী ২৭ আগস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা শ্রীলংকায়। কিন্তু গণআন্দোলনে বর্তমানে দেশটির যে বিধ্বস্ত অবস্থা, তাতে সেখানে শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপের আসর বসবে কিনা, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। রাজাপাকসের পদত্যাগের পর রনিল বিক্রমাসিংহে শ্রীলংকার নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেও নতুন করে উঠেছে রাষ্ট্রপতি গোটাবায়ারের পদত্যাগের দাবি।

জয়সুরিয়া, সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়বর্ধনের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দেশের যখন এই অবস্থা, তখন এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। যদিও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) এশিয়া কাপ শ্রীলংকা থেকে অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা এখনো দেয়নি। সংস্থাটি আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানিয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ডকে (এসএলসি)। শেষ পর্যন্ত তারা অপারগতা প্রকাশ করলে ২০২২ সালের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট স্থানান্তর করা হতে পারে বাংলাদেশ অথবা আরব আমিরাতে। তার আগেই এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে টুর্নামেন্টটি আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

গত ১৯ মার্চ এসিসির বার্ষিক সভায় এশিয়া কাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। বার্ষিক সভায় শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) তাদের দেশে টুর্নামেন্টটি ধরে রাখার পক্ষে যুক্তি দেখায়। সভায় বিকল্প ভেন্যু নিয়েও কথা হয়। সেখানেই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশকে আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একজন প্রতিনিধি।

যদিও দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের পছন্দ আরব আমিরাত। সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বিবেচনা করলে মধ্য প্রাচ্যের এ দেশটি এগিয়ে। তবে কম খরচে টুর্নামেন্টের সফল আয়োজক বাংলাদেশ। ভারত পাশে থাকলে টুর্নামেন্টটি ঢাকায় হতে পারে। এসিসির বর্তমান সভাপতিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য সচিব জয় শাহ। এশিয়া কাপের ভেন্যু স্থানান্তরে সিদ্ধান্ত হলে তার পছন্দ অগ্রাধিকার পাবে।

এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৬ সালে টানা তিনটি এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে। তাতে দারুণ সফল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ২০১৮ সালে ওয়ানডে এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয় আরব আমিরাতে। সে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ ও ভারত। তাই ২০২২ সালের টুর্নামেন্টটি ঢাকায় হলে আরও বড় চমক দেখাতে পারেন সাকিব আল হাসানরা।

২০১৪ সাল পর্যন্ত এশিয়া কাপ ছিল ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। ২০১৬ সাল থেকে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এশিয়া কাপও হচ্ছে একই সংস্করণে। গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলেও এশিয়া কাপ হয়নি করোনার কারণে। এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায় এশিয়া কাপও হবে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে।

এ বছর এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে অংশগ্রণের জন্য বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান- এই পাঁচটি দেশ চূড়ান্ত। ষষ্ঠ দল যোগ দেবে বাছাই টুর্নামেন্ট থেকে। প্রথম রাউন্ড হবে দুই গ্রুপে। সুপার ফোর খেলবে পয়েন্ট টেবিলের সেরা চার দল। সেরা দুই দল উন্নীত হবে ফাইনালে। টুর্নামেন্টে মোট ম্যাচ হবে ১৩টি।

(ঢাকাটাইমস/১৩ মে/এএইচ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :