ঘুমানোর আগে যেসব অভ্যাসে বাড়ছে বড় রোগের ঝুঁকি

স্বাস্থ্য ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ মার্চ ২০২৩, ১১:৩০

ঘুম বা নিদ্রা হচ্ছে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর দৈনন্দিন কর্মকান্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভালো স্বাস্থ্যে জন্য রাতে ভালো ঘুম হওয়া খুবই জরুরি। কিন্তু এই ঘুমের আগেই মানুষের কিছু অভ্যাস ডেকে আনে বিপদ। শরীরে বাসা বাঁধে বড় বড় সব রোগ।

চলুন জেনে আসি সেই অভ্যাসগুলো সম্পর্কে, ঘুমানোর আগে যেগুলো করা একেবারেই উচিত নয়।

ভারী খাবার খাওয়া

রাতে ঘুমানোর আগে ভারী খাওয়াদাওয়া করা একেবারেই উচিত নয়। এটি শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে তা নয়, স্ট্রেস বা মানসিক চাপও বাড়িয়ে দেয়। ভালো ঘুমের জন্য শোয়ার আগে একদম অল্প খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

আরাম না করা

ঘুমের আগে কিছুটা সময় নিজের মন মতো কাটান। যা অনেকেই করেন না। বরং খেয়ে দেয়ে কিছু কাজ থাকলে তা সেরে শুয়ে পড়েন। তা না করে কিছুটা সময় আরাম করুন। এতে ভালো ঘুম হয়।

অসময়ে ঘুমানো

অসময়ে ঘুমোনোর স্বভাব রয়েছে? এর থেকেই ঘুমের সমস্যা আরও বেড়ে যায়‌। প্রতিদিন নিয়ম করে একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়া উচিত। তেমনই সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময়ও ঠিক রাখতে হবে।

খাবারের পর চা বা কফি পান

রাতে খাবারের পর চা বা কফি পান করলে অনেকেরই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আর নিয়মিত অনিদ্রা হলে শরীরের বাসা বাঁধে বড় বড় সব রোগ। তাই রাতে চা-কফি এড়িয়ে চলাই ভালো। এমনকি, বিকালের পরই এসব পানীয় থেকে দূরে থাকতে বলেন চিকিৎসকরা।

মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি

সারা বিশ্বে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করা- এ যেন একটি সাধারণ দৃশ্য। কিন্তু এতে যে মারাত্মক ক্ষতি হয়, তা হয়তো অনেকেই জানেন না। ফোন বা কম্পিউটারের কৃত্রিম আলো চোখের পাশাপাশি মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

বিছানায় কাজ

আপনি আপনার মাথাকে যা শেখাবেন, সে তাই করবে। অনেকে আছেন অফিসের কাজ বাড়িতে নিয়ে যান। বিছানা বসে বা শুয়ে ল্যাপটপ খুলে অফিসের কাজ সারেন। বিছানায় শুয়ে এভাবে কাজ করার অভ্যাস থাকলে তা আজই ত্যাগ করুন। নইলে বাজবে ঘুমের বারোটা।

রাতে ভালো ঘুম না হলে দিনে ভয়ানক ক্লান্তি ভর করে শরীরে। কিছুই ভালো লাগে না। মাথা ঝিমঝিম করে, চোখ-মুখ জ্বলে। নিয়মিত এভাবে ঘুমের সমস্যা হলে কোষ্ঠকাঠিন্য, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা জটিল রোগ হানা দেয় শরীরে। তাই নিয়ম মানার কোনো বিকল্প নেই।

(ঢাকাটাইমস/২০মার্চ/এজে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :