বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আক্রমণকারীরা উৎসাহ পাচ্ছে: আইজিপি

মামলার জট ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আক্রমণকারীরা উৎসাহ পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
শনিবার দুপুরে রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এছাড়া আসামি ধরার পর এলাকায় মানুষ থানা ঘেরাও করলে কিভাবে আইনশৃঙ্খলা ধরে রাখা যাবে, এমন প্রশ্নও ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। আইজিপি বলেন, ‘মামলার জট ও বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আক্রমণকারীরা উৎসাহ পাচ্ছে।’
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট মাসে যে দুঃখজনক ঘটনাগুলো ঘটেছে, বিপুল পরিমাণ আন্দোলনকারী প্রাণ দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। এ সব ঘটনার ফলে পুলিশের যারা লোভী, দলকানা কিছু নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যের কারণে আমাদের ওপরে যে দায়ভার এসেছে, এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ পুলিশকে আবার স্বমহিমায় দাঁড় করানো, তাদের মনোবল বৃদ্ধি করে তাদেরকে আবার তাদের কাজে ফিরিয়ে আনাই গত এক বছরে আমরা এটা চেষ্টা করেছি। আমরা বলবো না আমরা শতভাগ সফল হয়েছি, তবে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না, এখনও নেই।
শতভাগ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কোনো জায়গায় করা যায় না জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এটা শতভাগ তো কোনো জায়গায় করে ফেলা যায় না। আমাদের দেশের গত ১০/১৫ বছরের অপরাধ পরিসংখ্যান যদি নেন, প্রতি বছরই সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার হত্যা সংঘটিত হয়ে থাকে। আমাদের অবশ্যই চেষ্টা থাকবে একজন লোকও যেন মারা না যায়। সেটা আমাদের লক্ষ্য।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীদের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, নির্বাচনের উপযোগী রাখা এটা আমাদের দায়িত্ব। এখানে শুধু পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ একা না, এখানে পুলিশের সঙ্গে নির্বাচনের দিন তো বিপুল পরিমাণ, প্রায় ছয় লাখের মতো আনসার সদস্য থাকবেন। এখন নির্বাচনে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা বাহিনী আমাদের সঙ্গে আছে। বর্ডার গার্ড আছে, ইভেন কোস্ট গার্ড এবং নেভি উপকূলীয় অঞ্চলে এখন আইনশৃঙ্খলা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































