সংরক্ষিত নারী আসনে ফারজানা বুবলিকে দেখতে চান সমর্থকেরা

জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ফারজানা বুবলিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দেখতে চান সাধারণ জনগণ। তারা মনে করেন, ফারজানা সংসদ সদস্য হলে সাধারণ মানুষের কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে পারবেন।
এদিকে ফারজানা বুবলি ১৯৮৩ সালের ৩১ মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৫ সালে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি ঢাকার হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ থেকে ২০০৪ সালে ব্যাচেলর অব কমার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং নাখালপাড়া হোসাইন আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন।
ফারজানা বুবলি একজন সাংস্কৃতিক কর্মী ও সমাজসেবী হিসেবেও পরিচিত। পারিবারিক উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
রাজনৈতিকভাবে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ওই সময় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত মিছিল, ব্লকেড ও বিভিন্ন টকশোতে অংশ নিয়ে আন্দোলনের পক্ষে জনমত তৈরিতে কাজ করেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তিনি বিভিন্ন স্থানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পুলিশের গুলি, টিয়ারশেল ও জলকামানের মুখেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তাঁর সহকর্মীরা।
আন্দোলনের সময় নারীদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখেন ফারজানা বুবলি। তাঁর মতে, নারীরা যখন রাজপথে নামে তখন ইতিহাস বদলে যায় এবং রাজনীতিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
জুলাই আন্দোলনের সময় ফারজানার ছবি, নাম ও পরিচয় হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে (আলো আসবেই গ্রুপে) পয়েন্ট করে রাখা হয়েছিল। তিনি জানান, যদি আন্দোলন সফল না হতো, আজকে হয়তো তাঁকে আয়নাঘরে থাকতে হতো।
২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার এলাকায় বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হন। স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও তরুণ সমাজকে সংগঠিত করার বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর আগে থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, ফারজানা বুবলি সংসদে গেলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে দেবিদ্বারের মানুষের সমস্যা ও দাবি তুলে ধরতে পারবেন। পাশাপাশি যেকোনো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ আনতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।
উল্লেখ্য ফারজানা বুবলি শ্বশুর মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে কুমিল্লা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মঞ্জুরুল আহসান আদালতের আদেশে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়েন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































