যারা সারের সংকট তৈরি করছে, তাদের পুলিশ খুঁজছে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, সারের দাম বৃদ্ধির অভিযোগটি সত্য নয়, একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা সংকট তৈরি করছে, তাদের পুলিশ খুঁজছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে চার-পাঁচ মাসের সার মজুত রয়েছে। যারা সংকট তৈরি করছে, তাদের পুলিশ খুঁজছে। আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যে থেমে যাবে। আপনারা দেখেছেন চালের গুদামে সার, ঘরের ভেতরে সার, তুষের গুদামে সার; কিন্তু ওখানে থাকার কথা নয়। একটি গোত্র, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায় পরিকল্পনা করে দেশে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করেছে। একটি সরকারের কাছে অগ্রিম চার-পাঁচ মাসের সার মজুত থাকে, কিন্তু আমাদের সরকারের কাছে তার থেকেও বেশি সার মজুত রয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের মধ্যে আমদানিমুখী মসলা চাষে স্বনির্ভর হবে। বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম বাড়ে, কারণ বর্ষায় কৃষকদের সবজি উৎপাদনে খরচ বাড়ে। বর্ষা মৌসুমেও সবজি উৎপাদনে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিবছর পেঁয়াজ আমদানি করতে হতো। এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আশা করি আগামীতেও আমদানি করতে হবে না, আমরাই পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারব। প্রতিবছর ১ লাখ টন আদা আমদানি করি। চেষ্টা করছি দুই বছরের মধ্যে পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটো আমদানি করতে হবে না। আগামী দিনে কৃষিপণ্য হবে প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য।
আলোচনা সভায় দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভালোবাসার জন্য কাজ করুন। মানুষের ভালোবাসার কোনো বিকল্প নেই। জনগণের কাছে ফিরে যেতেই হবে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলি, আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। মুখের কথা, অন্তরের কথা ও মাথার চিন্তা যেন এক হয়।
(ঢাকা টাইমস/১সেপ্টেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































