সরকারি বেতনকাঠামোর পর বেসরকারি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো ঘোষণার পর বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য দ্রুত জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এ দাবি জানান।
সাইফুল হক বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হওয়ার পর বেসরকারি খাতের কয়েক কোটি শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন না বাড়লে দেশে বড় ধরনের বৈষম্য ও ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি তৈরি হবে। এ কারণে সরকারি বেতনকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করা জরুরি।
তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের অনেক শ্রমিক-কর্মচারী যে বেতন পান, তা দিয়ে মাসের ১৫ থেকে ২০ দিন চলাও কঠিন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর হলে একদিকে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়তে পারে, অন্যদিকে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নতুন পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় আরও বাড়তে পারে।
মূল্যস্ফীতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে বেতন বাড়লেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে না। তাঁর ভাষায়, এতে ‘বেতনের টাকার নোট বাড়বে, কিন্তু বাস্তবে চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বিশেষ বাড়বে না।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্যও অবিলম্বে বাঁচার মতো ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































