মুরাদনগরে মন্দিরে আগুন নিয়ে অপপ্রচার, ধর্মমন্ত্রীকে জড়িয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

কুমিল্লার মুরাদনগরে একটি মন্দিরসংলগ্ন বটগাছে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মমন্ত্রীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এ ঘটনাকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র দাবি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার বিকালে মুরাদনগরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতারা। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, ঘটনাস্থলটি একটি মন্দিরের পাশের বটগাছ, যেখানে নিয়মিত কোনো প্রতিমা স্থাপন বা পূজা হয় না। স্থানীয়রা মানত করলে সেখানে কাপড় বেঁধে রাখেন। তাদের দাবি, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা গাছে আগুন লাগিয়ে সেটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধর্মমন্ত্রীকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করছে। তারা বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বক্তারা আরও দাবি করেন, ধর্মমন্ত্রী স্থানীয় সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
স্থানীয়দের মতে, মুরাদনগরে দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অটুট রাখতে সকলের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































