‘নতুন উদ্যোক্তা ও আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন জরুরি’

ব্যুরো প্রধান, রংপুর
 | প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ২১:১৫

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন একান্ত জরুরি বলে মনে করেন রংপুর অঞ্চলের উদ্যোক্তা ও শিল্পপতিবৃন্দ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির উদ্যোগে  রংপুর অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সম্ভাবনা এবং চাহিদা নিয়ে দিনব্যাপী ‘উন্নয়ন রোডম্যাপ-রংপুর বিভাগ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার রংপুর আরসিসিআই অডিটরিয়ামে এ সেমিনার হয়।

রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক, অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটি সদস্য সচিব টিপু মুনশি এমপির সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ড. মসিউর রহমান।

সেমিনারে রংপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ, দ্রুত গ্যাস সংযোগ, স্বল্প মূল্যে বিদ্যুৎ, ফার্নেস অয়েলে ভর্তুকি, কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, রংপুর বিভাগে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে আলাদা শিল্প, কর, ভ্যাট, শুল্ক ও ঋণ নীতি ঘোষণা, ট্যাক্স হলিডের মেয়াদ বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান,  বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য রিসার্চ সেন্টার স্থাপন, সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া-রংপুর হাইওয়ের পাশ দিয়ে রেল লাইন নির্মাণ, পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধাসহ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক স্থাপন, জ্ঞানভিত্তিক শিল্প প্রসারের উদ্যোগ, কুড়িগ্রাম-ফুলছড়ি-জামালপুর হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতু নির্মাণ, আন্তঃনগর রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষিভিত্তিক রংপুর অঞ্চলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, অঞ্চলভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যবস্থার প্রচলন, কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিশেষ নীতি সহায়তা প্রদান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে পিছিয়ে পড়া রংপুর বিভাগে জনসংখ্যার অনুপাতে মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত স্থাপন, রংপুর বিভাগ থেকে দ্রুত গতির ইলেকট্রনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুকরণ, রংপুর বিভাগের উন্নয়নের স্বার্থে নর্থবেঙ্গল  ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি গঠন, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও বিমান বন্দর চালুকরণ, বেনাপোল স্থলবন্দরের ন্যায় রংপুর বিভাগে অবস্থিত সকল স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রংপুর অঞ্চলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কম্প্রিহেনসিভ ইনভেস্টমেন্ট পলিসি গ্রহণ, প্রতি জেলায় স্পেশাল ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা,  পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের জন্য বিশেষ স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ প্রদান এবং পণ্যভিত্তিক শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি তুলে ধরেন রংপুর অঞ্চলের শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তাবৃন্দ।

এছাড়া সেমিনারে রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু, গাইবান্ধা চেম্বারের সভাপতি আনোয়ারুল কাদির, পঞ্চগড় চেম্বারের সভাপতি আব্দুল হান্নান শেখ, লালমনিরহাট চেম্বারের সভাপতি কামরুল হাসান বকুল, কুড়িগ্রাম চেম্বারের সহ-সভাপতি রহমত আলীসহ রংপুর বিভাগের আট জেলার ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাবৃন্দ, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, রংপুর চেম্বার পরিচালনা পর্ষদের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-পরিচালকবৃন্দ, সুধীজন ও সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।

সেমিনারের  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ ও পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশনে সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোরশেদ হোসেন।

(ঢাকাটাইমস/৭আগস্ট/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :