বসতঘর ফিরে পেতে বৃদ্ধের সংবাদ সম্মেলন

ভোলা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:৪৪

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জোরপূর্বক অসহায় পরিবারের জমি ও বসতঘর দখল করার অভিযোগ উঠেছে মোতাহারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মোতাহার উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কলাকোপা গ্রামের আলী আকবরের ছেলে।

এদিকে অসহায় পরিবারটি পৈত্রিক বসতভিটা ও জমি ফিরে পেতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিপক্ষ শক্তিশালী হওয়ায় কোনো সমাধান পায়নি।

এ নিয়ে তারা বুধবার দুপুরে দৌলতখান প্রেসক্লাবে বসতঘরসহ দখলকৃত জমি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চর খলিফা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মোজাম্মেল হকের ছেলে মো. মিলন ও সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল বারেকের পক্ষে সিরাজ বলেন, ‘দিদারুল্যাহ মৌজার ৩০০০ ও ৩০০২ দাগের ৪৩২ খতিয়ানের জমির উপর আমাদের বাবার বসতঘর এবং একই মৌজার ৩৮ থেকে ৫১ দাগের ৬২৯ খতিয়ানের ৬ শতাংশ জমি ওই এলাকার মোতাহার হোসেনসহ তার ছেলে শাহাবুদ্দিন, মনির, কবির জোরপূর্বক দখল করে। আমরা বাবার সম্পত্তিতে বিগত ৫০ বছর ধরে ভোগ করে আসছি। কয়েক বছর ধরে আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে মোতাহার জাল দলিলের মাধ্যমে আমাদের বাবার বসতভিটা দখল করে। ৬ শতাংশ জমি দখল করে পাকা বিল্ডিং নির্মাণ করে। ফলে আমরা আদালতে মামলা করলে আদালত নতুন স্থাপনা নির্মাণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

মিলন অভিযোগ করেন, আমার মায়ের মৃত্যুর পর বাবার পুরাতন ঘরটি পুনঃনির্মাণ করতে গেলে মোতাহার গংরা বাধা দেয়। মোতাহার গংরা আমার ৪ বোন ও এক ভাইয়ের অংশ ক্রয় করে। কিন্তু আমি আমার অংশের কোনো সম্পদ বিক্রি করিনি। তারপরও মোতাহার গংরা গত ১৫ দিন আগে আমার স্ত্রীকে ঘর থেকে মারধর করে বের করে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশে বসে। এতে সমাধান না হলে বিষয়টি নিয়ে আমরা দৌলতখান থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করি।

এরপর ঘরটি থানা থেকে পুলিশ এসে ঘরটি তালাবদ্ধ করে দিয়ে চাবি থানার জিম্মায় থাকে। কিন্তু আমাদের কিছু না জানিয়ে টাকা আর ক্ষমতার জোরে মোতাহার গংরা থানা থেকে ঘরের চাবি নিয়ে আসে। আমাদের দলিল সঠিক ও পৈত্রিক সম্পত্তি হওয়ার পরও আমরা মোতাহার গংদের টাকা ও ক্ষমতার কাছে আজ অসহায় হয়ে পড়েছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোতাহার হোসেনের ছেলে শাহাবুদ্দিন বলেন, আমরা ৯ মাস আগে এই জমি তাদের চার বোন ও ভাই রুহুল আমিন ভান্ডারীর কাছ থেকে ক্রয় করি। এখানে মিলনের কোনো সম্পদ নেই। সে প্রায় ৪০ বছর আগে তার অংশের সকল সম্পদ বিক্রি করে চলে গেছে। আর ৬২৯ খতিয়ানের ৬ শতাংশ জমি সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল বারেকের কাছ থেকে ক্রয় করি। এখানে তাদের কোন সম্পদ নেই।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। কাগজপত্র দেখে যারা প্রকৃত মালিক তাদের ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেয়া হবে।

(ঢাকাটাইমস/১৮সেপ্টেম্বর/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :