মোবাইলেই অফিস!

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:২৭ | প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০৬

সফটওয়্যার খাতে লেটেস্ট সব প্রযুক্তি চলে এসেছে। সারা বাংলাদেশের সমস্ত অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে শুরু করে অফিস ম্যানেজমেন্ট করা যায় একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। যেটি ব্যবহার করলে কাগজের কোনো প্রয়োজন হবে না। হবে সময় সাশ্রয়ী এবং প্রযুক্তির সৎব্যবহার।

বাংলাদেশের উদ্যেক্তা ও একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সফটওয়্যার ডিজাইনার মান্না মাহমুদ, যিনি ইউরোপের বিভিন্ন সরকারি ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানে মুল সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এমন একটি বিজনেস সফটওয়্যার তৈরি করেছেন যেটি দিয়ে নিজের মত করে অফিস, এনজিও, বিজনেস প্রতিষ্ঠানসহ বড় বড় কোম্পানির সারা দেশের সকল কর্মীদের ডাটা এবং কাজের অগ্রগতি রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণ ও অনুমোদন করা সম্ভব।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ব্রাঞ্চ, বিভাগ, দপ্তর এর কার্য পদ্ধতি ও তথ্য ফর্ম নিজেদের মত করে বানানো সম্ভব অল্প সময়েই। এজন্য একটি স্মার্টফোন থাকলেই হবে।

কোনো ভারি ভারি হার্ডওয়্যার বা প্রযুক্তির অনেক কিছু জানতে হবে বিষয়টি এমনও নয়। সফওয়্যারটির নাম ‘ক্লাউড অফিস ডিজিটাল ওয়ার্কপ্লেস’। এর মূল কোম্পানি ক্লাউড অফিস।

এ সম্পর্কে মান্না মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশের মানুষ সফটওয়্যার কিনতে গেলে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। যখন কোনো বড় ব্যবসায়ী মনে করেন সফটওয়্যার কিনবে, দেখা যায় বিদেশ থেকে লোক আসে, বাস্তবায়ন হতে লেগে যায় বছরের পর বছর, দেখা যায় অনেক সমস্যা। সে নিজে অনেক কিছুই বুঝতে পারে না। এবং সফটওয়্যার এর জন্য অনেকে ব্যবসার ধরনও বদলাতে বাধ্য হয়। এক সময় সেটা বোঝায় পরিনত হয়। তাছাড়া প্রয়োজন হয় সফটওয়্যারটির সাথে হার্ডওয়্যারও। যেগুলো কেনা ও রক্ষনাবেক্ষন রাখা ব্যয়সাপেক্ষ হয়। কিন্তু সহজেই একটা মোবাইল ডিভাইস দিয়ে সব কিছু ম্যানেজ করা সম্ভব আমাদের বিজনেস সফটওয়্যারটি দিয়ে।

অটোমেশনে বিভিন্ন বড় কোম্পানির প্রধান হিসেবে কাজ করেছি, তখন থেকে যেটা বুঝেছি, বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের সফটওয়্যারের জটিলতার কারণে প্রযুক্তির অনেক সুবিধাই তাড়াতাড়ি নিতে পারে না, বলে জানান তিনি।

মান্না বলেন, মনে করেন যে আইটিতে একটু কম পারদর্শী, সে ও চায় খুব সহজে যাতে তার বিজনেস হ্যান্ডেল করতে পারে। তার অনেক কর্মী আছে, মাঠে পর্যায়ে কাজ করে। সে চায় খুব সহজেই যাতে তাদের ম্যানেজ করা যায়। সে চায়, মোবাইলে বসেই সব কিছু ম্যানেজ করা যাবে, এমন কিছু কি নাই? তাদের জন্যই আমাদের ক্লাউড অফিস ডিজিটাল ওয়ার্কপ্লেস।

আগের মত ভারি ভারি সফটওয়্যার কিনে সল্যিউশন দেওয়ার সেই প্রবণতা এখন কমে যাচ্ছে। এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, এ সব ভারী ভারী সফটওয়্যার খুবই ব্যয় বহুল কিন্তু সেই তুলনায় কার্যকরিতা নাই। আমেরিকা সহ উন্নত দেশে এই ট্রেন্ড শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশ বুঝতে হয়তো একটু সময় লাগতে পারে। এটিকে বল হয়, ডিজিটাল ওয়ার্কপ্লেস প্লাটফরম -যেটা মোবিলিটি ম্যানেজ করতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত এই লিংকে: https://bit.ly/2mphNpj

(ঢাকাটাইমস/১৯সেপ্টেম্বর/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :