ঢাকা উত্তর সিটি ২৮ নং ওয়ার্ড

মাদক-সন্ত্রাস রুখতে চান ফোরকান

কাজী রফিক
| আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:২৮ | প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:২১

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন ফোরকান হোসেন। পাঁচ বছর মেয়াদে প্রয়োজনীয় সকল কাজই তিনি সম্পন্ন করতে পেরেছেন বলে তার। এবারের নির্বাচনেও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পদের জন্য লড়ছেন তিনি। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার এবং একটি আদর্শ ওয়ার্ড গড়তে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণের।

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের আগারগাঁও ষ্টাফ কোয়ার্টার, পশ্চিম আগারগাঁও, কাফরুল, তালতলা স্টাফ কোয়ার্টার, শ্যামলী ১ নম্বর সড়ক, মহাকাশ বিজ্ঞান ভবন জি টাইপ এলাকা নিয়ে গঠিত ওয়ার্ডটি আকারে খুব বড় নয়। আবার বেশ কিছু সেবা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ও এই ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত। রয়েছে হাসপাতাল।

তুলনামূলক নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস হওয়ায় দীর্ঘ সময় উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল উত্তর সিটির অঞ্চলের ৫ এর এই ওয়ার্ডটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দিনে দুপুরে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক বিক্রি, পথের ধারে বসেই মাদক সেবন, সন্ত্রাস সহ নানা অনৈতিক কাজের আখড়া ছিল শেরে বাংলা নগরের এই অংশটি। গত পাঁচ বছরে সে অবস্থার আশানুরূপ উন্নতি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নতির কারণে এখানকার মাদক ও সন্ত্রাস এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি সড়ক, ফুটপাত সহ অন্যান্য দিকেও উন্নতি হয়েছে।

ওয়ার্ডটির কাউন্সিলর ফোরকান হোসেন ঢাকাটাইমসকে জানান, ওয়ার্ডে প্রতি বছর পাঁচ কোটি টাকা হারে ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এছাড়া চারটি প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে। যার একটি ১০ কোটি টাকা, একটি ৮ কোটি, একটি দেড় কোটি এবং অপর একটি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। ১ দশমিক ৫২৮ বর্গ কিলো মিটার আকারের ছোট এই ওয়ার্ডটিতে গত পাঁচ বছরে সব মিলিয়ে ১৬৯ কোটি বরাদ্দ এসেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে সবচেয়ে বড় প্রকল্পটি বর্তমানে চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় চাহিদা ছিল আগারগাও এলাকার নির্বাচন কমিশনের সামনের সড়কটির উন্নয়ন কাজ। যা এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে আধুনিক রাস্তা তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে ফোরকান বলেন, ‘একটি আধুনিক রাস্তা বলতে যা বোঝায় তার সবই এখানে থাকবে। সাইকেল লেন থাকবে। গার্ডেন থাকবে। গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা থাকবে। হাটার রাস্তা তৈরি হবে। আমরা আশা করি, মানুষ এখানে হাটতে আসবে, ঘুরতে আসবে, সময় কাটাতে আসবে। মুরুব্বিরা হাটতে আসবে। সে আদলেই এসব কিছু তৈরি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডে কিছু উন্নয়ন কাজ দরকার। যেমন একটা কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ খুব জরুরী। নাগরিকরা যদি আমাকে ভোট দেয়, আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে সন্ত্রাস ও মাদকের যে উত্থান আমি দমন করেছি, তা আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেব না। নাগরিকরা আমাকে ভোট দেয়, তাদের প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে, তাই যে উন্নয়ন কাজ আমার ওয়ার্ডের জন্য প্রয়োজন, তা আমি করব।’

অন্যদের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন এই প্রার্থীও। পাশাপাশি প্রচারণা করছেন ডিজিটাল মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে আমরা ডিজিটার মাধ্যমে প্রচারণা করছি। ডিজিটাল বোর্ড লাগানো নিষেধ আছে। কিন্ত ফেসবুক আছে, গণমাধ্যমে আছে, আমি সেখানেও প্রচারণা অব্যাহত রেখেছি। দেশে এখন শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে, আমি আমার বার্তাটা জনগনের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছি।’

ঢাকাটাইমস/২২জানুয়ারি/কারই/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :