কাঁচা নাকি পাকা কলা? পুষ্টিগুণে কোনটি সেরা আর উপকারী জানুন

ঢাকা টাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর ২০২৩, ১৬:৩৬

কম পয়সায় কলার মতো একটি উপকারী ফলের বিকল্প খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। সস্তা এই ফলে রয়েছে অত্যন্ত জরুরি কিছু খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই শরীরের হাল ফেরাতে নিয়মিত কলা খেতেই পারেন।

তবে এহেন উপকারী ফলকে নিয়েও কিন্তু বিতর্ক কম নেই। একদল মনে করেন, কাঁচা কলাই গুণের রাজা। আরেক দলের কথায়, কাঁচা কলা উপকারী ঠিকই, তবে স্বাদে-গুণে পাকা কলার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। পুষ্টিগুণে পাকা কলাই সেরা।

এহেন বিতর্কের ফলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, পুষ্টিগুণে আসলে কোন কলা সেরা, স্বাস্থ্যের জন্য কোনটা বেশি উপকারী? এবার আসুন এ ব্যাপারে পুষ্টিবিদরা কী বলছেন? চলুন দেরি না করে তাদের কথাই জেনে নেওয়া যাক।

গুণের রাজা পাকা কলা

পুষ্টিবিদদের কথায়, নিয়মিত পাকা কলা খেলে মিলবে একাধিক পুষ্টিগুণ। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়ামের মতো জরুরি কিছু ভিটামিন ও খনিজ। পাকা কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও খনি। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে একাধিক রোগ থাকবে দূরে।

সেই সঙ্গে এই ফল হলো শক্তির ভাণ্ডার। তাই দেহে এনার্জির ব্যাটারি শেষ হয়ে এলে একটা পাকা কলা খেতেই পারেন। এতেই শরীর ফুল চার্জ হয়ে যাবে। আপনি কর্মমুখর দিন কাটাতে পারবেন।

কম যায় না কাঁচা কলাও

কাঁচা কলা বা অপক্ব কলাতে রয়েছে ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজের মতো ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই দেহের হাল-হকিকত ফেরানোর কাজে কাঁচা কলার জুড়ি মেলা ভার।

পুষ্টিবিদদের কথায়, নিয়মিত এই কলা খেলে ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে বশে আনা যায়। এছাড়া এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ক্রনিক ডায়ারিয়ার প্রকোপ কমাতে পারে। তাই পেটের অসুখ থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে কাঁচা কলা হতে পারে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র।

কাঁচা না পাকা কলা, কোনটা খাওয়া উচিত?​

পুষ্টিবিদরা বলছেন, কাঁচা কলা সাধারণত সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। সেখানে পাকা কলা খাওয়া হয় ফল হিসাবে। তাই এই দুই ধরনের কলারই নিজস্ব কিছু গুণ রয়েছে। তাই সুস্থ থাকতে পাকা কলা ও কাঁচা কলা দুটিই খেতে পারেন। দুইয়ের সঙ্গে কোনো প্রতিযোগিতা নেই।

ডায়াবেটিস রোগীদের কি কলা খাওয়া উচিত?​

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা কলা একদম আদর্শ। এই সবজি খেলে সুগারকে বশে রাখতে কিছুটা সাহায্য মিলবেই। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীরা পাকা কলাও খেতে পারেন। তবে তার আগে একবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

এর কারণ, ব্লাড সুগার খুব বেশির দিকে থাকলে পাকা কলা খাওয়া উচিত হবে না। তাই নীরোগ জীবন কাটাতে চাইলে এই বিষয়টা মাথায় রাখা জরুরি।

খাবার পর কলা নয়

অনেকেই পেট ভরে খাওয়ার পর কলা বা অন্য ফল খান। তাতেই শরীরের বারোটা বাজে। এমনকি ফলের কোনো গুণও মেলে না। তাই পেট ভরে খাওয়ার পর ফল এড়িয়ে বলাই ভালো। এতেই মিলবে উপকার। এড়াতে পারবেন একাধিক রোগের ফাঁদ।

(ঢাকা টাইমস/২৫অক্টোবর/এজে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফিচার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :