অপো কালারওএসহ্যাক-২০২৩ এর চ্যাম্পিয়ন মালয়েশিয়ার এন্ডটুএন্ড

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ২১:১২ | প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৯:৫৭

সম্প্রতি শেষ হয়েছে অপো কালারওএসহ্যাক ২০২৩ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। ১০টি দল এ পর্বে অংশগ্রহণ করে। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী হওয়া শীর্ষ তিনটি দলের নাম ঘোষণা করেছে ‘অপো’।

শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্টফোন প্রযুক্তি কোম্পানি অপো জানায়, প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে মালয়েশিয়ার দল ‘এন্ডটুঅ্যাএ’।

তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অপো বিশেষজ্ঞ এবং ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিচারক প্যানেল অ্যাপের সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনের পরিপ্রেক্ষিতে টিমগুলোর কাজের মূল্যায়ন করে এবং শীর্ষ তিনটি বিজয়ী দল নির্বাচন করে। তিনটি টিমের প্রত্যেকেই তাদের প্রোডাক্ট তৈরি ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য নগদ পুরস্কার পাবে।

মালয়েশিয়ার টিম এন্ডটুএন্ড এর একটি পরিবহন ও পেমেন্ট প্রকল্প হলো “ন্যাভঅপ”। বিচারকদের সর্বসম্মত অনুমোদন পেয়ে তারা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। প্রকল্পটি এমন একটি অ্যাপ যা পরিবহন এবং অর্থপ্রদান বা পেমেন্ট সার্ভিসের জন্য ক্রস-ডিভাইস সহায়তা প্রদান করে। এটি প্রতিদিনের যাতায়াত ও ব্যবসায়িক ভ্রমণের ক্ষেত্রে পথের দূরত্ব কমিয়ে সময় বাঁচায় এবং সর্বব্যাপী সেবাগুলোর পরিসীমাকে আরও বৃদ্ধি করে।

২০২১ সাল থেকে, অপো প্রতি বছর কালারওএস প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। চলতি বছরের প্রতিযোগিতার থিম ছিল “প্যান্টানাল সার্ভিস: এমপাওয়ারিং লাইভ্‌স উইথ ইন্টেলিজেন্স”।

এবারের প্রতিযোগিতাটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনটি মূল বিষয় তথা দৈনন্দিন জীবন, পরিবহন এবং বিনোদনের ওপর নির্ভর করে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মার্কেটের জন্য একটি নতুন সার্ভিস ফরম্যাট গবেষণায় সহায়তা চালিয়ে যেতে, অংশগ্রহণকারীদের প্যান্টানাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দক্ষ হতে উৎসাহিত করা হয়েছে। যাতে এর মাধ্যমে তারা তিনটি পরিস্থিতির মধ্যে একটির জন্য স্মার্ট সার্ভিস তৈরি করতে পারে এবং পরিস্থিতি কল্পনা করার মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফর্মের ডিজাইন তৈরি করতে পারে।

এ বছরের জুলাইয়ে প্রতিযোগিতাটি চালুর পর থেকে পুরো প্রতিযোগিতাটি ১৫০ দিনের বেশি স্থায়ী হয়েছিল। বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ২০০টিরও বেশি টিম প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।

কালারওএস ১৪ তে, প্রথমবারের মতো অ্যাকোয়া ডায়নামিক্স সহ বিভিন্ন প্যান্টানাল প্ল্যাটফর্মের সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছিল।

টিমগুলো নেভিগেশন, পেমেন্ট, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া, অধ্যয়ন, স্বাস্থ্য সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে তাদের প্রস্তাবনা প্রকল্প জমা দেয়।

(ঢাকাটাইমস/১৯ডিসেম্বর/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :