এবার নজর মেজর হাফিজে

হাসান মেহেদী, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৪, ১০:১১ | প্রকাশিত : ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৪:২৫

গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ২১ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আড়াই মাস পর দেশে ফিরছেন। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। আসার পর পরই তিনি গ্রেপ্তার হতে পারেন বলেও তথ্য রয়েছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী ২০১১ সালে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে (বীর বিক্রম) ২১ মাসের সাজা দেওয়া হয়। এছাড়াও বিএনপির আরও পাঁচজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দেয় আদালত। তাঁরা হলেন, এম এ আওয়াল খান, রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন ও আলমগীর বিশ্বাস।

২০১১ সালের ৪ জুন রাজধানীর মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকায় বেআইনি সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ রয়েছে সেই মামলায়।

র্যাব-১এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ ঢাকা টাইমসকে বলেন, হাফিজ উদ্দিনের দেশে আশা নিয়ে তাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, বিএনপি ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম দিল্লি ফোরর্টিস হাসপাতালে হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের চিকিৎসা শেষে আজ রবিবার সকাল ১০টা ঢাকায় বিমান বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ দিল্লিতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম ঢাকা টাইমসকে বলেন, মেজর হাফিজের বিষয় খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে কি না খোঁজা হচ্ছে। যদি থাকে তাহলে অবশ্যই বিমানবন্দর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অপর দিকে গুলশানের উপ পুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীম ঢাকা টাইমসকে বলেন, মেজর হাফিজের দেশে আশা নিয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট আছে কি না তা খোঁজা হচ্ছে। যদি থাকে তাহলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির আলোচিত-সমালোচিত নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভোলা-৩ আসন থেকে পরপর ৬ মেয়াদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়াও বিএনপি সরকারের আমলে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নতুন দলে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে খবর চাউড় হয়। এমনকি নিজেও নতুন দল গঠন করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলেও গুঞ্জন উঠেছিল। নির্বাচনের আগে ৮ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংলাপ জরুরি বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে তিনিও নির্বাচন করবেন। তা না হলে শীঘ্রই রাজনীতি থেকে বিদায় নেবেন এবং আর কোনো দল করবেন না। এর পরই চিকিৎসার জন্য তিনি দেশ ত্যাগ করেন।

(ঢাকাটাইমস/০৩মার্চ/এইচএম/এসআইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

রাজনীতি এর সর্বশেষ

আওয়ামী লীগ দেশকে গভীর পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি নেতা মোশাররফ এবং আলালের বাসায় মির্জা আব্বাস 

মারাঠা বর্গিদের মতো দেশে লুটপাট চলছে: কাদের গনি চৌধুরী 

কেএনএফের মদদদাতাদের খুঁজতে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থা: হানিফ

বিএনপি আ.লীগের মতো ‘ককটেল পার্টি’তে বিশ্বাসী নয়: রিজভী

যেভাবে ঈদ উদযাপন করলেন খালেদা জিয়া

রাজনৈতিক কারণে বন্দি খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার বাসভবনে বিএনপির শীর্ষ নেতারা 

বিএনপি নেতাদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল আর ক্ষমতাসীনদের ঘরে লুটপাটের অট্টহাসি: রিজভী

আদাবরে ঈদের নামাজ শেষে সর্বসাধারণের সঙ্গে বিএনপি নেতা সালামের কুশল বিনিময়

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :