সিলেট টেস্ট
লিটনের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৭৮, দিন শেষে ২৫৭ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা ছিল লিটন কুমার দাসের। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে দারুণ এক সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছেন তিনি। তাঁর ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছে ২৭৮ রান।
দিন শেষে পাকিস্তান কোনো উইকেট না হারিয়ে করেছে ২১ রান। ফলে প্রথম দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের চেয়ে ২৫৭ রানে পিছিয়ে আছে সফরকারীরা। আজম আওয়াইজ ১৩ ও আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে অপরাজিত আছেন। দিনের শেষ ৬ ওভারে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানাকে ব্যবহার করেও উইকেটের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেন পাকিস্তানি বোলাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন মাহমুদুল হাসান জয়। রানের খাতা খোলার আগেই দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি।
অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা তানজিদ হাসান তামিম অবশ্য আত্মবিশ্বাসী শুরু করেছিলেন। কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন শটও খেলেন তিনি। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। আব্বাসের বলে টপ এজ হয়ে নিজেই ক্যাচ দেন পাকিস্তানি পেসারকে। ৩৪ বলে ২৬ রান করেন তানজিদ।
মুমিনুল হকও ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে খুররম শাহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ২২ রান করে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে লাঞ্চে যাওয়া বাংলাদেশ বিরতির পর আরও চাপে পড়ে। দ্রুত ফিরে যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। শান্ত ২৯, মুশফিক ২৩ ও মিরাজ করেন ৪ রান।
১০৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন লিটন। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন এই উইকেটকিপার–ব্যাটার। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে করেছিলেন ১৩৮ রান।
লিটনের ১২৬ রানের ইনিংসটি আসে ১৬ চার ও ২ ছক্কায়। টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিটি পূর্ণ করেন খুররম শাহজাদকে চার মেরে। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তাইজুল ১৬ রান করে সাজিদ খানের বলে বোল্ড হন।
এরপর দ্রুত আউট হন তাসকিন আহমেদও। তবে শেষদিকে শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ ৩০০–এর কাছাকাছি নিয়ে যান লিটন। শেষ পর্যন্ত হাসান আলীর বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। শরিফুল ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ নিয়েছেন ৪ উইকেট। মোহাম্মদ আব্বাস পেয়েছেন ৩টি উইকেট। হাসান আলী নিয়েছেন ২টি এবং সাজিদ খান ১ উইকেট।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































