ঢাবি ছাত্রী ও মা-বোনকে কুপিয়ে হত্যা, সন্দেহভাজন যুবক গণপিটুনিতে নিহত

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ২৫ জুন ২০২৬, ১৮:৩৮
অ- অ+

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ও তার মা-বোনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা এছাড়া আহত হয়েছেন তার মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা আক্তার। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হত্যাকজাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তর মজুমদার নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন তিনি নোয়াখালীর সুবর্ণচরের কার্তিক মজুমদারের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় ঘটনা ঘটে

নিহত মা-মেয়ে হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ছোট মেয়ে শিফা আক্তার () তাদের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে

গুরুতর আহত ইকরা (১৭) রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

সায়মার বাবা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে কেরোয়া গ্রামে রাস্তায় পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে মারা যান

পুলিশ স্থানীয় সূত্র জানায়, স্বামী বিদ্যুস্পৃষ্টে মারা যাওয়ার পর গত কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে রায়পুরের গোডাউন এলাকার ওই ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।

আজ সকালে অন্তর মজুমদার বাসায় ঢুকে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। ঘটনাস্থলেই মা ছোট মেয়ে মারা যান। অপর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আর মেজ মেয়ে ইকরানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়

ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তর মজুমদারকে ধরে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সময় উত্তেজিত জনতা তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ৬- জন পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু তারেক। তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা জানাতে পারেনি কেউ। তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আনা হয়। এর মধ্যে দুই মেয়ে তাদের মা মারা গেছেন। এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, তিনজনের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। গণপিটুনিতে আহত যুবককে সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে তিনি পথে মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে ৭ জন পুলিশম সদস্য আহত হন বলে জানান তিনি

(ঢাকাটাইমস/২৫জুন/মোআ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
ড্রেসিংরুমে বসে কেঁদেছি: নেইমার
পবিত্র আশুরা কাল
মসজিদে জামায়াতের দলীয় সভা
হরিণাকুণ্ডুতে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ তিনজনের যাবজ্জীবন
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা