সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত: মীর শাহে আলম

সারের কোনো ধরনের ঘাটতি নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারের কাছে ইউরিয়া, টিএসপি এবং ডিএপি সারের সুনির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।
বুধবার দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার, নারী শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
সারের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে ডিলার ও কৃষকদের আশ্বস্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার বণ্টন প্রক্রিয়া সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে ইতোমধ্যেই মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে এবং একটি সরকারি নির্দেশিকা জারি হয়েছে। উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমান তালিকাভুক্ত ডিলারদের মধ্য দিয়েই আগের মতো সার উত্তোলন ও বিক্রি কার্যক্রম চলবে। কোনো ডিলারশিপ বাতিল করা হচ্ছে না।
আসন্ন আলু ও রবি শস্যের মৌসুম কেন্দ্র করে অনেক কৃষক আগাম সার কিনে জমা করছেন, যার ফলে বাজারে এক ধরণের কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কৃষকদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগাম সার কিনে বাজারে অযথা চাপ সৃষ্টি করার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে দেশের ১৩৩টি সাধারণ গুদাম ও ৩৩টি বাফার গুদামে সারের বিশাল মজুত প্রস্তুত রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সময়ে সব কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দেওয়া হবে।
সার সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল কিছু অসাধু ও ধীরগতির ডিলারদের কারণে। দায়িত্বে অবহেলা করা এবং অনিয়মে জড়িত কয়েকজন ডিলারের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে যারা বিচ্ছিন্নভাবে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি।
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, দেশের কোন অঞ্চলে কোন ফসলের জন্য কখন কী পরিমাণ সার লাগবে, সেই হিসাব সরকারের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে যথাসময়ে কৃষকরা সার পাবেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থরের সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সারের বার্তার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সচেতনতা বাড়াতে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিকট স্যানিটারি ন্যাপকিন হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হয় ঢেউটিন ও নগদ আর্থিক অনুদান।
(ঢাকা টাইমস/২৬আগস্ট/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন









































