শজিমেকে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি অব্যাহত, বন্ধ বহির্বিভাগ

চার দফা দাবিতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলাকালে বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়ায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে রোগী ও স্বজনরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সংলগ্ন বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেন তারা।
এ সময় চার দফা দাবিতে আন্দোলনে থাকা ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও জরুরি বিভাগের সামনে অবস্থান নেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টিকিট কাউন্টার খুলে দেওয়া হলে রোগী ও স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান।
এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালের অন্তর্বিভাগের বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন। এতে দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।
চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী বলেন, সকালে হাসপাতালে এসে তারা দেখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন চলছে। টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসাসেবাও বন্ধ রয়েছে। যারা আগে টিকিট কেটেছেন, তারাও চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আবার যারা টিকিট কাটেননি, তারাও চিকিৎসাসেবা নিতে পারছেন না।
এ বিষয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপপরিচালক মনজুর-ই-মোরশেদ বলেন, মেডিকেলে কিছু শিক্ষার্থী বিক্ষুব্ধ ছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছি। দুপুর ১২টায় গত দিনের ঘটনা নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বগুড়ার সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। আশা করছি, বৈঠকে বিষয়টির একটি সমাধান হবে।
আউটডোর বন্ধের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আউটডোরের টিকিট দেওয়া বন্ধ করতে চেয়েছিল। পরে আমরা তাদের বুঝিয়ে আউটডোর চালু করেছি। বর্তমানে সেখানে টিকিট দেওয়া হচ্ছে এবং সেবা কার্যক্রম চলছে।
উল্লেখ্য, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাতে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় চার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
(ঢাকা টাইমস/৩সেপ্টেম্বর/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































