‘খলচরিত্রে অভিনয় করা বেশি কঠিন’

মাহমুদ উল্লাহ, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৭, ১১:০৯ | প্রকাশিত : ০৩ মার্চ ২০১৭, ০৮:১৩

নেতিবাচক চরিত্রে অল্প যে কজন অভিনেত্রী শক্ত অবস্থান গড়তে সক্ষম হয়েছেন শবনম পারভীন তাদের অন্যতম। মঞ্চ নাটক থেকে তিনি ছোট পর্দায় এবং পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। শুধু চলচ্চিত্রে অভিনয়েই তিনি ব্যস্ত থাকেননি, পাশাপাশি ‘শবনম প্রোডাকশন্স’ থেকে তিনি বেশ কয়েকটি ছবিও প্রযোজনা করেন। করেছেন নাটক পরিচালনাও। মানিকগঞ্জের মেয়ে শবনম পারভীন প্রথম অভিনয় শুরু করেন ১৯৮২ সালে আলাউদ্দিন আহমেদের প্রযোজনায় ‘দুটি গানের একটি সুর’ নাটকে। হুমায়ুন আহমেদের নাটকে অভিনয় করে শবনম পারভীন প্রশংসিত হন। তার এই সময়ের ব্যস্ততা নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকাটাইমসের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহমুদ উল্লাহ।

বিনোদন জগতে কাজ করতে এসে কি আপন কখনো কি সমস্যায় পড়েছেন?

বিনোদন জগতে কাজ করতে এসে আমার কখনো কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। এখানে যে ক্যামেরাম্যান বা ক্রুরা ছিলো তারা সবসময়ই আমাকে আপন করে নিয়েছে। তবে আমার পরিবারে সমস্যা ছিলো। আমার বাবা মা কখনোই চাননি আমি অভিনয়ে আসি।

খল চরিত্রে অভিনয় সম্পর্কে বলুন।

অনেকেই মনে করেন, খল চরিত্রে অভিনয় করা বুঝি সহজ। আসলে এতো সহজ নয়, খল চরিত্রে চরিত্রের উঠানামা অনেক বেশি থাকে। ফলে অনেক বেশি অভিনয় দক্ষতা নিয়েই এখানে আসতে হয়। কারণ একটি ভিলেন এর চরিত্র করতে হলে অনেকগুলো অভিনয়ের স্কেল ধরে রাখতে হয়। অভিনয়ের মধ্যে রোমান্টিজম থকতে হয়, আবার একই সঙ্গে এক ধরনের রুঢ়তাও আনতে হয়। যা একই সঙ্গে খুব একটা সহজ নয়। এটা এমন না যে, জোরে চিৎকার চেচামেচি করে কথা বললে বা শুধু রাগ করলেই চলে। আবার কথার মাঝে কমেডিও আনতে হবে। তাহলেই এই ক্ষেত্রে সফল হওয়া সম্ভব।

বিশ্বের বিভিন্ন সিনেমায় ভায়োল্যান্স একটি বড় বিনোদন, সেক্ষেত্রে বালাদেশের প্রেক্ষাপট কেমন?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হয়তো খুব বেশি ভায়োলেন্স দেখানো হয় না। কারণ আমাদের সিনেমায় অতিরিক্ত ভায়োলেন্স বা খুন খারাবি দেখালে যারা হৃদরোগী আছেন বা শিশুদের সমস্যা হতে পারে। নাটকে ইচ্ছা করেই এই ধরনের কাজ করা হয় না। তবে এখন আগের চেয়ে বেশি দেখানো হচ্ছে। তরুণরা এসব দেখে হয়তো বেশি মজা পায় তাই তাদের কথা চিন্তা করেই এমন করা হয়। আমার বাবাকে ২০০৮ সালে আমার চোখের সামনে ডাকাতরা হত্যা করে। কিন্তু সেটাই যদি দেখানো হয় তাহলে তা কারোই ভালো লাগবে না। মানুষ যত সাহসীই হোক এগুলো দেখতে কারোরই ভালো লাগে না। সিনেমা হচ্ছে স্বপ্নের জগৎ। মানুষ বাস্তবে থাকলেও স্বপ্নে থাকতেই বেশি পছন্দ করে।

ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?

আমি ভবিষ্যতে সিনেমা পরিচালনা করার চিন্তা আছে। এমাসে ইত্যাদির শুটিং আছে আমার। এরপর  কিছু দিনের জন্য দেশের বাইরে যাবো। এসে নাটক পরিচালনার কাজ করতে পারি। তবে ভবিষ্যতে আবার আগের মতো চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করবো।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

আপনাকে ও ঢাকাটাইমসকেও অনেক ধন্যবাদ।

(ঢাকাটাইমস/০৩ফেব্রুয়ারি/এমইউ/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত