‘তোমাকে যৌনকর্মীর মতো লাগছে’

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫২

কলকাতার চলচ্চিত্র জগতে ‘ঠোঁটকাটা’ হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এ জন্য বহুবার নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন। তা সত্ত্বেও নিজের মতামত খোলাখুলি বলতেই পছন্দ করেন ওই অভিনেত্রী।

এর প্রমাণ মিলল আরও একবার। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে রবিবার নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন স্বস্তিকা। গায়ে কালো রঙের কুর্তি, গলায় আফগানি হার, চোখে রোদচশমা। গাঢ় বেগুনি রঙের লিপস্টিক পরে পাউটের ভঙ্গিমায় সেলফি তুলছেন অভিনেত্রী।

হঠাৎই স্বস্তিকার পোস্টে একজন মন্তব্য করেন, ‘যৌনকর্মীর মতো লাগে’। ওই কমেন্টে স্বস্তিকার ফ্যানেরা বেজায় চটে গেলেও ঠান্ডা মাথায় গোটা ঘটনা সামাল দেন স্বস্তিকা।

স্বস্তিকার জবাব: ‘আমি যৌনকর্মীদের ভালোবাসি। ওরাও সমাজের অংশ, তাই না? সমাজের যত নোংরা নিজের শরীর দিয়ে পরিষ্কার করেন ওরা। তা না হলে সেই নোংরা আমার আপনার মতো ভদ্রলোকের বাড়িতে এসে ঢুকে পড়ত।’

স্বস্তিকার মতে, মাঝে মাঝে ওই সব মানুষের ‘স্টাইল’ অনুকরণ করা উচিত। তিনি লেখেন, ‘ওদের একটু সম্মান দিলে সম্মান কমবে না। বেশ্যারাও মানুষ। আর আমি ওদের ভালোবাসি। যৌনকর্মীদের স্টাইলকে আমার স্যালুট। আমি গর্বিত আমাকে ওদের মতো দেখতে লাগছে।’

স্বস্তিকার ওই মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়াতে রাতারাতি প্রশংসার ঝড় ওঠে। কেউ লেখেন, ‘যেভাবে তুমি পুরো ঘটনা সামাল দিলে তা সত্যি অসাধারণ’। অনেকেই তাকে তারিফ করেছেন। পরে স্বস্তিকা এসব মন্তব্য তার পোস্ট থেকে সরিয়ে দিলেও তার আগেই কমেন্টসহ ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

তবে শুধু ওই ফলোয়ারই নন। আরও বেশ কিছু ফলোয়ারের বিরূপ মন্তব্যের জবাবও ঠাণ্ডা মাথাতেই দিয়েছেন স্বস্তিকা।

এই প্রসঙ্গে স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় পরে আবার বিবৃতি দিয়েছেন। লিখেছেন, ‘আমি কোনো পোস্ট ডিলিট করিনি। কারণ তার কোনো প্রয়োজন আমার নেই। যে মহিলা মন্তব্য করেছেন যে, আমাকে যৌনকর্মীর মতো দেখতে লাগছে, তিনি নিজেই পোস্টটি ডিলিট করেছেন।’

স্বস্তিকা আরও লিখেছেন, ‘মেরুদণ্ডহীন হয়ে থাকার তার কোনো ইচ্ছে নেই। ‘আমি ন্যাকা নই। আর সারাক্ষণ ডিপ্লোম্যাসি করে আর পলিটিক্যালি কারেক্ট হয়ে মেরুদণ্ডহীন একটা অপদার্থ হয়ে বেঁচে থাকার কোনো অভিপ্রায় আমার নেই।’

(ঢাকাটাইমস/২০আগস্ট/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :