লন্ডন-বাংলাদেশ কার্গো সার্ভিস দ্রুত চালুর দাবি

মতিয়ার চৌধুরী, লন্ডন থেকে
 | প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট ২০২০, ২১:০০

বাংলাদেশ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ি শিথিল, সহজ শর্তে সুলভে শুল্ক প্রদানের সুবিধা এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ব্রিটেন থেকে বাংলাদেশে মালামাল পাঠানো ও খালাস এবং নিয়মিত ফ্লাইটে কার্গো সার্ভিস দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশি কার্গো ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার বিকালে লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে কার্গো ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এই দাবি জানিয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, কোভিড-১৯ এর অজুহাতে বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগের কয়েকটি অহেতুক সিদ্ধান্তের কারণে ব্রিটেন থেকে বাংলাদেশে কার্গো পাঠানো বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগের অমূলক সিদ্ধান্তের কারণে ব্রিটেনে পাঁচ শতাধিক কার্গো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাজ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো ১. কোভিড-১৯ এবং প্রবাসীদের স্বার্থ বিবেচনায় সহজ শর্তে ব্রিটেন থেকে দ্রব্যাদি পাঠানো এবং দেশে খালাসের ব্যবস্থা। ২. ভারতসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসীরা সহজভাবে শুল্ক পরিশোধের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে কার্গো পাঠাতে পারলেও প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সমুন্নত রেখে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া এবং এক্ষেত্রে প্রবাসী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কার্গো ব্যবসায়ীদের সংগঠন এবিবিসিএর পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান ও জেএমজি কার্গোর এমডি মনির আহমদ, সেক্রেটারি মিঠু পাল ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মিজানুল হক আদিল।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কার্গো ব্যবসায়ীরা বলেন, বেশ কয়েকমাস যাবত সিলেটে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কয়েকটন কার্গো পণ্য জব্দ করে রেখেছে। এর সঙ্গে ব্রিটেনের কার্গো ব্যবসায়ীদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্রিটেন থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক কার্গো সার্ভিস চালু থাকলেও সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের মালামাল পাঠানোর কার্গো সার্ভিস বন্ধ রয়েছে।

ব্রিটেন থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিমাসে নিয়মিত ফ্লাইটে কয়েক হাজার টন বিভিন্ন দ্রব্যাদি কার্গো করে বাংলাদেশে পাঠান। কাস্টমস বিভাগের সিদ্ধান্তে এটি এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে যেমন বিপাকে পড়েছেন বিমানযাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা, তেমনি মোটা অংকের অর্থ আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গেল পাঁচ মাস যাবত এই সার্ভিস বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন বিমানযাত্রী ও কার্গো ব্যবসায়ীরা।

(ঢাকাটাইমস/২৬আগস্ট/কেএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :