ফিলিস্তিনে নির্বাচনে যাচ্ছে ফাতাহ ও হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৩৯

বৈদেশিক চাপ ও বহির্বিশ্বে নিজেদের বিচ্ছিন্নতা ঠেকাতে নির্বাচনে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ফাতাহ ও হামাস। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তিন ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দল দুটির পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়। খবর আরব নিউজের।

তারা বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রথমে আইনসভা নির্বাচন, পরে প্রেসিডেন্ট এবং সবশেষে ফিলিস্তিন জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী সালাম ফায়াদের সহকারী জামাল জাকওয়াদ। তিনি বলেন, ‘সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তারপর তারা সিদ্ধান্ত নেবে আদৌ নির্বাচন হবে কি না।’

ইস্তানবুলের ফিলিস্তিনি দূতাবাসে উভয়পক্ষের বৈঠকে প্রতিনিধিরা একটি ঐকমত্যে পৌঁছেছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আমরা পরিণত লক্ষ্যে একমত হয়েছি। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের উদ্যোগে দেশব্যাপী সংলাপ আয়োজনের পরিকল্পনায় একমত। ১ অক্টোবরের আগে তা অনুষ্ঠিত হবে।

ফাতাহ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব জিবরিল রাজৌব বলেছেন, রামাল্লাতে শিগগিরই সবগুলো দলের প্রধানরা বৈঠকে মিলিত হবেন। ওই বৈঠকের পর সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে প্রেসিডেন্ট নির্দেশ জারি করবেন।

গাজায় হামাসের মুখপাত্র ফাউজি বারহুম ইস্তানবুলের বৈঠকে নতুন উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঐক্য ও ক্ষমতা ভাগাভাগির নীতির ভিত্তিতে এই নতুন উদ্যোগ নেয়া হবে।

স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক ড. আর্মার দুইক বলেছেন, ‘বৈদেশিক চাপেই তারা একতাবদ্ধ হতে বাধ্য হয়েছে। তারা বুঝেছে যে বৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়া তারা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’

আল মারসাদ বোর্ডের সদস্য হাজেম কাওয়াসমি প্রেসিডেন্ট আব্বাসকে ফিলিস্তিনের জাতীয় ও জেরুজালেমের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের সুপারিশ করেছেন। বলেছেন, ‘এই নির্বাচন জেরুজালেম ইস্যুকে হাইলাইট করবে’। তিনি বলেছেন, ‘আমরা জানি, ইসরায়েল এই নির্বাচনের ঘোর বিরোধিতা করবে। তাদের বিরোধিতা আমাদের কূটনীতিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে।’

ঢাকাটাইমস/২৫ সেপ্টেম্বর/এনএইচএস/জেবি) ‍

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :