সরকার গঠনে ফের ব্যর্থ নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ০৫ মে ২০২১, ১০:৫৫

দুই বছরে চারবার নির্বাচনের পরও সরকার গঠন হয়নি ইসরায়েলে। সর্বশেষ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন করতে ফের ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার রাতের মধ্যে সরকার গঠনের সময়সীমা ছিল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সরকার গঠনে ব্যর্থতার কথা প্রেসিডেন্ট অফিসকে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এবার প্রেসিডেন্ট রিভলিন অন্য দলকে সুযোগ দেবেন। তারা যদি পারে, তাহলে ১২ বছর পর বিরোধী আসনে বসবেন নেতানিয়াহু এবং তার দলের নির্বাচিত সদস্যরা। খবর ডয়চে ভেলের

সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে গেলে নেতানিয়াহুকে ইসলামপন্থি ইউনাইটেড অরব লিস্ট (ইউএএল) এবং চরম ডানপন্থি জিওনিস্ট পার্টির সমর্থন দরকার ছিল। কিন্তু জিওনিস্ট পার্টি জানিয়ে দিয়েছে, তারা কিছুতেই ইউএএলের সঙ্গে হাত মেলাবে না। ফলে নেতানিয়াহুর পক্ষেও জোট গঠন করা সম্ভব হয়নি।

প্রেসিডেন্ট এবার ইয়াইর ল্যাপিদকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। তিনি জোট সরকার গঠন করার চেষ্টা করবেন। ল্যাপিদ সাবেক টিভি অ্যাঙ্কর এবং নেতানিয়াহুর তীব্র বিরোধী।

এছাড়া নেতানিয়াহুর সাবেক জোটসঙ্গী বেনেট আছেন, তিনি দক্ষিণপন্থি দলের নেতা। তাকেও প্রেসিডেন্ট সরকার গঠনের জন্য ডাকতে পারেন।

ইসরায়েলে গত দুই বছরে চারবার ভোট হয়েছে। নেতারা জোট গঠন করতে হিমশিম খেয়েছেন। শেষ নির্বাচন হয়েছে গত মার্চে। কোনো দল যদি সরকার গঠন করতে না পারে, তাহলে দুই বছরে পাঁচবার ভোট হবে ইসরায়েলে।

২০০৯ সাল থেকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ৭০ বছর বয়সী এই নেতা ইসরায়েলে সবচেয়ে বেশিদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্তও তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

নেতানিয়াহু সেনাবাহিনীতে ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান এমআইটিতে আর্কিটেকচার নিয়ে পড়েছেন। ইরান ও ফিলিস্তিন নিয়ে তার নীতি ছিল খুবই কড়া। তিনি বারবার বলেছেন, ইরান পরমাণু বোমা বানাতে চাইছে এবং ইসরায়েল তা হতে দেবে না। তিনি ফিলিস্তিনিদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রেরও বিরোধী।

তার বিরুদ্ধে এখন দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগের বিচার চলছে। তিনি অবশ্য নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। এই অভিযোগের ফলে তিনি বেকায়দায় পড়েছেন।

ঢাকাটাইমস/০৫মে/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :