‘পুঁজিবাজার আরও বড় হওয়ার সুযোগ আছে’

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ ও শেখ সাইফ, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৩১ | প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:৫৭

অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর চেয়ারম্যান। যেখানেই হাত দিয়েছেন, সোনা ফলেছে। এর আগে সাধারণ বীমা করপোরেশনের (এসবিসি) চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনকালে বিমাখাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রশংসিত হন এবং করপোরেশনের ইতিহাসে সর্বাধিক মুনাফা অর্জনে ভূমিকা রাখেন। দূর করেছেন ব্যবস্থাপনার অনেক জটিলতা। চারবার নির্বাচিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ডিন হিসেবে। নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদেও। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য।

শুধু দক্ষ নেতৃত্বই নয়, লেখক, গবেষক হিসেবেও সমাদৃত অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ই-কমার্স ও ই-ব্যাংকিং, প্রিন্সিপাল অব ইনস্যুরেন্স এবং মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং বইয়ের লেখক তিনি। দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রকাশিত তার গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যাও কম নয়। ২০২০ সালের মে মাসে তিনি যখন বিএসইসির চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব নেন তখন বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি জেঁকে বসেছে। এর প্রভাব পড়েছিল দেশের পুঁজিবাজারেও। কিন্তু তাঁর (শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম) গতিশীল, দক্ষ ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে বিশ্বমন্দার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরেছে। পুঁজিবাজারের উন্নয়ন, চলমান অগ্রযাত্রা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকাটাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হাবিবুল্লাহ ফাহাদ। সঙ্গে ছিলেন শেখ সাইফ

আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পর করোনা মহামারির মধ্যেও পুঁজিবাজারে অভাবনীয় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কোন বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন?

শুরু থেকেই যে দায়িত্বটা ছিল, সেটি সুশাসন। যেখানে সুশাসন থাকে না, যেখানে আইন-কানুন-নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয় না, যেখানে পুঁজির নিরাপত্তা নেই, সেখানে সাধারণত কেউ আসতে চায় না। আমরা ওই জায়গাটাকে প্রথম লক্ষ্যবস্তু ঠিক করেছিলাম। যাতে মানুষকে তার পুঁজির নিরাপত্তা দিতে পারি, ভালো আয় নিশ্চিত করতে পারি এবং সেইসঙ্গে তাদের পুঁজি নিয়ে যারা কাজ করবে তাদের মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারি। এটিকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এটি জনগণের মনস্তত্ত্বের ওপর প্রভাব ফেলেছে, যে কারণে বিনিয়োগকারীরা মনে করেছেন যে এই মুহূর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলে ভালো আয় হবে। এভাবেই বিনিয়োগকারীরা আস্তে আস্তে ফিরে আসা শুরু করে। এখন রোজ নতুন অনেক বিনিয়োগকারী আমাদের বাজারে যোগ হচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে অনেকে আপনার সুদক্ষ পরিচালনার প্রশংসা করেন। অতীতে বীমা করপোরেশনের দায়িত্বে থাকতেও কর্মদক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। আপনি বিষয়টি কীভাবে দেখেন?

আমি যে দায়িত্বই পাই, আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করি। কাজে ফাঁকি দিতে একদম পছন্দ করি না। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব বাধার সম্মুখীন হই সেগুলো অনেক সময় একটু শক্তিশালী হয়। সেটা মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট সাহস লাগে। আমি খুবই ভাগ্যবান যে, কমিশন এবং আমরা এই বাধাবিপত্তি ভালোভাবেই অতিক্রম করছি, যা এখনো শেষ হয়নি। তবে আমি মনে করি, যেভাবে কাজ করছি, এভাবে যদি করতে পারি তাহলে সফল হব। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আছেন সুতরাং আমরা কোনো কিছুকেই আর ভয় পাচ্ছি না। আশা করি আমরা যখন চলে যাব তখন একটা সুশৃঙ্খল, বৈচিত্র্যময় এবং শতভাগ ডিজিটালাইজড পুঁজিবাজার পাবেন।

পুঁজিবাজারকে আরও ভালো করতে ভবিষ্যতে কী পরিকল্পনা রয়েছে?

দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাদের প্রথম বছরটা ছিল সুশাসন প্রতিষ্ঠার। দ্বিতীয় বছর আমাদের এখন চলছে। যেটাকে আমরা বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্টে দিচ্ছি। সেইসঙ্গে তৃতীয় বছর যখন শুরু হবে তখন যাতে কমোডিটি নিয়ে ভালোভাবে কাজ করতে পারি, সেটার প্রাথমিক কাজ আমরা এই বছরেই শুরু করে দিয়েছি, যেটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে হচ্ছে। মন্ত্রণালয় এবং বোর্ড আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। চতুর্থ বছরে গিয়ে আমরা ডেরিভেটিভ নিয়ে কাজ করব। সেটার জন্যই আমরা এখন থেকে মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কাজ করছি। কারণ আমাদের দেশে পর্যাপ্ত মানবসম্পদ নেই। এভাবেই আমাদের চার বছরের মেয়াদকাল শেষ করতে চাই।

উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশের তুলনায় দেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

বিদেশে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত প্রথম সারির সংবাদপত্র বা অনলাইন জার্নাল যারা প্রকাশ করে, যেমন ব্লুমবার্গ, তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখেন, তারা বাংলাদেশ নিয়ে কী বলে! সিএনএনে দেখেন, যারা একসময় আমাদের নিয়ে অনেক নেতিবাচক খবর দিত তারা এখন কী বলে। সামনের দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের সঠিক তথ্য তুলে ধরবে। আসলে নিজেরাই নিজেদের তথ্য ঠিকভাবে দিতে পারতাম না। নিজেদের এত বেশি সমালোচনা করতাম যে কারণে আমাদের ভালো দিকটা কেউ জানত না। এ জন্যই রোড-শো হচ্ছে।

রোড-শোগুলোতে কী ধরনের সুফল মিলছে?

দেশে-বিদেশে অনেক বাঙালি আছেন যারা দেশ, দেশের মানুষ, দেশের ব্যবস্থা সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্য প্রচার করে। এ বিষয়গুলো ভেঙে দেওয়াই হচ্ছে রোড-শো’র কাজ। শুধুমাত্র আমার শেয়ার, বন্ড, আইপিও আর ইনভেস্টমেন্টের জন্য কিন্তু রোড-শো করছি না। আমরা রোড-শো করছি বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে। দেশের যখন ব্র্যান্ডিং হবে, মানুষ সম্মান পাওয়া শুরু করবে, বাঙালিরা বিদেশে গিয়ে সম্মান পাবে, ঠিক তখনই এদেশে ইনভেস্টমেন্ট আসবে। বিনিয়োগ এলে পুঁজিবাজার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই উন্নতি করবে। দুই থেকে তিন বছর পর এই ব্র্যান্ডিংয়ের কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে শুরু করব আমরা।

পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিকাশে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। পুঁজিবাজারের কল্যাণে বর্তমান সরকারের উদ্যোগগুলো সম্পর্কে যদি বলতেন।

আমরা খুবই আনন্দিত এবং আপ্লুত এই কারণে যে প্রধানমন্ত্রীর স্নেহতুল্য আমরা। তিনি মনে করেন যে দেশের অর্থনীতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে অর্থের বাজার, পুঁজিবাজার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সবার সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে হবে। যেহেতু অনেক আগের আইন- কানুন রয়েছে। কিছু নতুন হচ্ছে, কিছু পরিবর্তন হচ্ছে, কিছু আবিষ্কারও হচ্ছে। আমাদের কখনো কখনো নিজেদের আইনগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সেগুলো আমরা সব ধীরেধীরে পরিবর্তন করে ফেলছি। যেহেতু আইন সংশোধনে কিছুটা সময় লাগে, এ জন্য ধৈর্য্য ধরতে হবে। কিছু মানুষ খুব অধৈর্য হয়ে পড়ে। এটা ভুল। আমাদেরকে একটু সময় দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে আমাদের সবসময় সাহায্য করে, এভাবেই যদি সাহায্য করে তাহলে আগামী দিনে হয়তো ভালো সংবাদ তাদের কাছ থেকে আমরা পাব। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় খুব ভালো ভূমিকা রাখছে। আশা করি রাজস্ব বোর্ড আসছে বাজেটে আমাদের জন্য নিশ্চয়ই কোনো ভালো খবর নিয়ে আসবে। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়ে গেছে। বীমা করপোরেশনও সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। আমরা খুবই আনন্দের সঙ্গে এখন কাজ করছি।

পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? অনেকে বলছেন বাজার অতিমূল্যায়িত হয়েছে।

এটা নিয়ে আমি একটু বিড়ম্বনার মধ্যে আছি, কারণ আমার অনেক গুরুজন এটাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করছেন যে আমরা এখন অতিমূল্যায়িত হয়েছি। আমরা আসলে জিডিপির মাত্র ২০ শতাংশ বা তার আশপাশে আছি। আমাদের আশপাশের দেশগুলো যেখানে ৫০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত জিডিপি সাইজের কাছাকাছি, সেখানে আমাদের এই ২০ শতাংশ এটাকে বড় বলে থামিয়ে রাখলে আমরা এগুতে পারব না। এই জায়গাগুলোতেই আমি গুরুজনদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এটা আসলে খুব বেশি বড় না। আমাদের এখনো অনেক বড় হওয়ার সুযোগ আছে। তারা আসলে একটু ভয় পান। কারণ আবার যদি আগের মতো ফল হয়, তাহলে তো মানুষের ক্ষতি হয়ে যাবে। এ জন্যই আমাদের উন্নতি ধীরগতিতে হচ্ছে। আমরা কিন্তু সংশোধন হয়ে হয়ে এগোচ্ছি। সোজা উঠে যাচ্ছি না, যাতে কোনো কিছুই হঠাৎ করে বেড়ে হঠাৎ করে পড়ে না যায়।

পুঁজিবাজারে যেসব নতুন প্রতিষ্ঠান আসছে তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

ব্যাংক-কোম্পানিগুলো এখন ব্যাপকহারে পুঁজিবাজারে আসছে। আমরা তাদের অনুমোদন দিচ্ছি। প্রাইভেট বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যেগুলো হচ্ছে সেগুলোকে আমরা দেখেশুনে অনুমোদন দিচ্ছি। ঢালাওভাবে দিচ্ছি না। কারণ আমাদের অনুমোদন দিতে গিয়ে অনেক বাছবিচার করতে হয়। অনেক বাদ পড়ে যায়। অনেকে জানে যে এ ধরনের কোম্পানিকে আমরা অনুমোদন দেব না। আমরা বিনিয়োগকারীদের ডেকে এনে বিপদে ফেলতে চাই না। বিনিয়োগকারীরা টাকা নিয়ে চলে যাবে, ডিভিডেন্ড দেবে না, স্টক দেওয়ার নামে বছরের পর বছর বিভিন্ন রকমের কারসাজি করবে, অডিট রিপোর্ট জালিয়াতি করবে, প্রতারণা করে সাধারণ মানুষকে ঠকাবে, এই জিনিসটা আমরা চিরতরে বন্ধ করে দিতে চাই। সেজন্যই আমরা একটু যাচাই-বাছাই করে কাজ করছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে অনেকটা পথ আমরা হেঁটেছি। কিন্তু পুঁজিবাজারকে এখনো পুরোপুরি ডিজিটালাইজ করা যায়নি। এ বিষয়টি নিয়ে কী পরিকল্পনা রয়েছে?

তথ্য-প্রযুক্তি হচ্ছে প্রধান সমাধান। যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা অনেকটাই নিশ্চিত করা সম্ভব। অনেক রকমের কাজকর্ম, যেগুলো পছন্দ করি না। যেগুলো আইটির মাধ্যমে বন্ধ করা যায়। এর জন্য আইটিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, বিদেশি একটি সংস্থার মাধ্যমে আমরা একটা ভালো ফান্ড পেতে যাচ্ছি। তার মাধ্যমে আমাদের পুরো পুঁজিবাজারকে প্রামটপে আনার কাজ করব। ২৪ ঘণ্টা পৃথিবীর সবদেশে সব জায়গা থেকে আমাদের পুঁজিবাজারে এক্সেস নিতে পারবেন। কাজ সেরে রাখতে পারবেন। পরদিন হয়তো দাপ্তরিক ঘণ্টা শুরু হলে সেগুলো কার্যকর হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এখন ব্যাপকভাবে ডিজিটালাইজেশনের কাজ করছে। শতকোটি টাকার ওপরে এখন কাজ চলছে।

বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ দক্ষতা তৈরি কতটা জরুরি?

আমরা মনে করি, বিনিয়োগকারীরা যেমন ভুল করে কোনো প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে ফেলেন, তখন নিজের দোষ স্বীকার না করে অন্যকে দোষারোপ করা শুরু করেন, তেমনি আমাদের সাংবাদিক ভাই-বোনেরা হয়তো না বুঝে একটা রিপোর্ট করে ফেলেন। এ জন্যই আমরা বিআইসিএমের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করছি। ওখানে আমাদের যে নতুন একাডেমিক টিম, তারা কিন্তু এখন খুব সাউন্ড এবং দেশ বিদেশের ট্রেনিং এবং শিক্ষাপ্রাপ্ত। তারা কিন্তু খুব ভালোভাবে চেষ্টা করছে ফাইন্যান্সিং লিটারেসিকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে।

কারা এই শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী হচ্ছে?

অনেকেই এখন পুঁজিবাজার বিষয়ক শিক্ষায় আগ্রহী। আমরা বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা বা মেইনস্ট্রিমে আমাদেরকে যারা ডিল করে, তাদের জন্য আলাদা আসন রেখেছি। যেন তারাও একটু পড়তে পারেন। কারণ এই বিষয়টি এত হাইলি টেকনিক্যাল, এটা আপনি অন্য যেকোনো বিষয়ে পড়ে এসে বুঝবেন না। এটা বোঝার জন্য আপনাকে যে করেই হোক শিক্ষা নিতেই হবে এবং তার পরে আপনাকে বেসিক থেকে শুরু করে আরও হাই লেভেলে শিক্ষা নিতে হবে। এ জন্যই এই প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে। সাংবাদিক ভাই-বোনদের জন্য, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এবং মার্কেট পার্টিসিপেন্টদের জন্য আলাদা কারিক্যুলাম রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য তো আছেই। আশা করি এটা যদি সফলকাম হয়, তাহলে আস্তে আস্তে আমরা একটা ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেট গ্রুপ পাব। তারাই হবে আসল বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী। এদের সংখ্যা যত বৃদ্ধি হবে, দেশের তত উন্নতি হবে।

(ঢাকাটাইমস/১৩ ফেব্রুয়ারি/এইচএফ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :