ভূমিকম্পের তীব্রতা বিবেচনায় রেখে ভবন নির্মাণ করতে হবে: ঢাবি উপাচার্য

ঢাবি প্রতিনিধি, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:১৯ | প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:৫৩

বাংলাদেশ যেহেতু ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত, ফলে যেকোনো সময় ধরনের বড় কিংবা মাঝারি ভূমিকম্প হতে পারে দেশে। তাই ভূমিকম্পের তীব্রতা বিবেচনায় ভবন নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, এজন্য যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের বড় কিংবা মাঝারি ভূমিকম্প হতে পারে। সুতরাং, তীব্রতা বিবেচনায় রেখে আমাদের ভবন নির্মাণ করা উচিত।’

শনিবার সকালে রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর এই পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে এই মাত্রার ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলেও জানান।

ড. মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আজকে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পের গভীরতা ১০ কিলোমিটারের মধ্যেই ছিল। এই ভূমিকম্প থেকে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই কিংবা আরও বড় ভূমিকম্প হবে এরকম কোনো আশঙ্কাও নেই। তবে রামগঞ্জের যেখানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে, ওখানে একটা ‘ক্রাস্টাল ফল্ট’ আছে এটা আমরা ভাবি নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ ধরনের ভূমিকম্পগুলোকে তীব্রতায় ৫ থেকে ৬ এবং ম্যাগনিটিউডে ৫ দশমিক ৫ বা ৫ দশমিক ৬ মাত্রার বলি। এ ধরনের ফাটলরেখা থেকে সাধারণত বড় ভূমিকম্প হয় না। তীব্রতা এবং ম্যাগনিটিউড যদি ৬ এর ওপরে যায়, তাহলে সাধারণত অবকাঠামোতে ক্ষয়ক্ষতি শুরু হয়।’

উল্লেখ্য, আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল নয়টা ৩৬ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।

(ঢাকাটাইমস/২ডিসেম্বর/এসকে/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :