পর্যটকের ঢল কক্সবাজারে, কয়েকশ কোটি টাকার ব্যবসার আশা সংশ্লিষ্টদের

কক্সবাজার প্রতিনিধি, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১৭:৪৫ | প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১৬:৪৫

পর্যটকের ঢলে প্লাবিত হয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত। ঈদুল ফিতর এবং পহেলা বৈশাখের টানা ছুটি উপভোগ করতে সৈকতে গিয়ে জড়ো হয়েছেন দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটক। তাদের পদচারণায় মুখরিত রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকতটি। এখনো আসছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের আগমনে আশাবাদী হয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। কয়েকশ কোটি টাকার ব্যবসা হওয়ার আশা করছেন তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদের দিন তুলনামূলকভাবে পর্যটক কম হলেও ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে বেড়েছে পর্যটক সংখ্যা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সি পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে জড়ো হয়েছে মেতে রয়েছেন ঈদের আনন্দে।

কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, ঈদ এবং বৈশাখের ছুটিতে কক্সবাজারে লাখের অধিক পর্যটকের সমাগম হবে। এই মুহূর্তে আমাদের সমিতির অন্তর্ভুক্ত সকল হোটেলের রুম শতভাগ বুকিং। অনেক পর্যটক রুম চাইলেও দিতে পারছি না। পর্যটক আরও বাড়বে। কারণ একদিন পর পহেলা বৈশাখ। ঈদ পহেলা বৈশাখের ছুটিতে আমরা কয়েকশ কোটি টাকার ব্যবসার আশা করছি।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সৈকত ঘুরে দেখা গেছে, সারা দেশ থেকে আসা পর্যটকরা সাগরের নোনা জলে গোসলে নেমেছেন। কেউ ওয়াটার বাইক নিয়ে সৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউ রোদ থেকে বাচঁতে কিটকটে (চেয়ার-ছাতা) গা এলিয়ে দিগন্ত ছোঁয়া নীল জলরাশিতে মজে আছেন।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিচ কর্মী মাহবুব বলেন, সকাল থেকে পর্যটকদের সমাগম বাড়ছে। এটি সন্ধ্যার দিকে লাখ পার হবে। কোনো পর্যটক হয়রানি হলে সেটি অভিযোগ সহকারে নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট স্যার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

হোটেল সী-গাল কর্তৃপক্ষ জানান, আজ থেকে টানা কয়েকদিন রুম বুকিং আছে। অনেক পর্যটক রুম চাইলেও দিতে পারছি না। আগামীকাল থেকে পর্যটক আরও বাড়বে বলে জানান তারা।

নোয়াখালী থেকে আসা পর্যটক জসীম উদ্দিন জানান, পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে কক্সবাজারে এসেছি। আমি তারকা মানের হোটেল সী-গালে উঠেছি। অনেক ভালো লাগছে। নিরাপত্তাও বেশি।

শেরপুরের থেকে আসা পর্যটক সানা উল্যাহ বলেন, সকালে কক্সবাজারের এসে নেমেছি। আগে থেকে হোটেল বুকিং না দিয়ে আসায় রুম পেতে একটু কষ্ট হয়েছে। তবুও ভালো লাগছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা বলেন, সকাল থেকে আমরা মাঠে আছি। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি। হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। এখনও পর্যটকদের খাবার নিয়ে অভিযোগ ওঠেনি। আমরা সব সময়ই মাঠে আছি।

(ঢাকাটাইমস/১২এপ্রিল/পিএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :